1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার দলীয় কার্যালয়ে তারেক রহমান, নয়াপল্টনে জনসমুদ্র বিপজ্জনক পথে মুনাফালোভীরা গোয়ালঘর থেকে শোয়ার ঘর— সর্বত্রই এখন দাহ্য তেলের অবৈধ স্তূপ ভিয়েতনামে আলু রপ্তানির অনুমতি পেল বাংলাদেশ খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছিলো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে-বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী পাইকগাছায় জমি বিরোধের অবসান; মালিকের দখল পুনরুদ্ধার বাগেরহাটে দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে যুবক নিহত মোংলায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন কার্যক্রম আয়াতুল্লাহ খামেনির জীবনের শেষ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করল ইরান স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্য চরিত্র জিয়াউর রহমান-প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুসহ একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু

চিতলমারীতে সার বরাদ্দে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, আবেদন-নিবেদন উপেক্ষিত

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

চিতলমারী প্রতিনিধি:: বাগেরহাটের চিতলমারীতে ডিলার ভিত্তিক নন-ইউরিয়া সার বরাদ্দে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। এখানে জানুয়ারী মাসে একজন বিসিআইসি সার ডিলারকে ৯৯ মেট্রিকটন নন-ইউরিয়া বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিএডিসি সার ডিলারকে দেওয়া হয়েছে ২০ মেট্রিকটন। শুধু জানুয়ারী মাসে নয় এ অসম সার বরাদ্দ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এই চরম বৈষম্য থেকে মুক্তি পেতে উপজেলার একমাত্র বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার ফেরদাউস শেখ বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার আবেদনও করেছেন। কিন্তু তিনি কোন সুফল পাননি।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার ফেরদাউস শেখ বলেন, ‘চিতলমারী উপজেলা সদর বাজারে আমার মেসার্স শেখ ব্রাদার্স নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আমি উপজেলার একমাত্র বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে অত্র উপজেলার কৃষকদের সাথে সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছি। এ উপজেলায় কৃষি, মৎস্য ও ফসল উৎপাদনে ক্ষেত্রে রাসায়নিক সারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু উপজেলা কৃষি অফিস থেকে মাসিক বরাদ্দ বন্টনের সময় পক্ষপাতিত্ব করার কারণে আমি কৃষকদের সঠিক ভাবে সার দিতে পারছি না। আমাদের পার্শ্ববর্তী জেলা ও উপজেলা গুলোতে বিএডিসি নন ইউরিয়া সার বিএডিসি ডিলার ও বিসিআইসি ডিলাদের মধ্যে সমান হারে বন্টন করা হয়। কিন্তু একমাত্র আমাদের উপজেলায় একজন বিসিআইসি সার ডিলারকে ৯৯ মেট্রিকটন দেওয়া হলেও আমাকে দেওয়া হয় মাত্র ২০ মেট্রিকটন। যা চিতলমারী উপজেলা সদর ইউনিয়ন হিসেবে চাহিদার অতি সামান্য। এভাবে মাসের পর মাস ধরে সার বন্টনের সময় আমাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রতিকার পেতে আমি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত ভাবে আবেদন ও নিবেদন করেও কোন প্রকার পাইনি।’
চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব মোঃ সিফাত-আল-মারুফ বলেন, ‘এ উপজেলায় ৭ জন বিসিআইসি ও ১ জন বিএডিসি সার ডিলার রয়েছেন। বিএডিসি সার ডিলারকে বরাদ্দ বেশী দিলে কিছু বিসিআইসি সার ডিলার ক্ষিপ্ত হন। অন্য উপজেলায় কিভাবে সমান হারে বন্টন করেন সেটা আমার জানা নেই।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট