রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
যে কারণে সৌদি প্রতিনিধিদের সুরা আল ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত শুনিয়েছে ইরান অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা পুনরায় চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশোধ নয়, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে একটি ক্রীড়াবান্ধব দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই-খুলনায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী চিতলমারীতে ১১ দলের বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা মন্ত্রিপরিষদ সচিবের খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বেনাপোলে ১১ দলীয় জোটের গনমিছিল পাইকগাছায় মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত: অবৈধ জাল ধ্বংস ও জরিমানা দালালমুক্ত ভূমি অফিস ও গতিশীল পৌরসভা: এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন, এসিল্যান্ড হাসপাতালটি এলাকার জনসাধারণের জন্য আশীর্বাদ -মন্ত্রিপরিষদ সচিব

চিতলমারীতে সার বরাদ্দে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, আবেদন-নিবেদন উপেক্ষিত

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬১ বার পড়া হয়েছে

চিতলমারী প্রতিনিধি:: বাগেরহাটের চিতলমারীতে ডিলার ভিত্তিক নন-ইউরিয়া সার বরাদ্দে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। এখানে জানুয়ারী মাসে একজন বিসিআইসি সার ডিলারকে ৯৯ মেট্রিকটন নন-ইউরিয়া বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিএডিসি সার ডিলারকে দেওয়া হয়েছে ২০ মেট্রিকটন। শুধু জানুয়ারী মাসে নয় এ অসম সার বরাদ্দ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এই চরম বৈষম্য থেকে মুক্তি পেতে উপজেলার একমাত্র বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার ফেরদাউস শেখ বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার আবেদনও করেছেন। কিন্তু তিনি কোন সুফল পাননি।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার ফেরদাউস শেখ বলেন, ‘চিতলমারী উপজেলা সদর বাজারে আমার মেসার্স শেখ ব্রাদার্স নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আমি উপজেলার একমাত্র বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে অত্র উপজেলার কৃষকদের সাথে সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছি। এ উপজেলায় কৃষি, মৎস্য ও ফসল উৎপাদনে ক্ষেত্রে রাসায়নিক সারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু উপজেলা কৃষি অফিস থেকে মাসিক বরাদ্দ বন্টনের সময় পক্ষপাতিত্ব করার কারণে আমি কৃষকদের সঠিক ভাবে সার দিতে পারছি না। আমাদের পার্শ্ববর্তী জেলা ও উপজেলা গুলোতে বিএডিসি নন ইউরিয়া সার বিএডিসি ডিলার ও বিসিআইসি ডিলাদের মধ্যে সমান হারে বন্টন করা হয়। কিন্তু একমাত্র আমাদের উপজেলায় একজন বিসিআইসি সার ডিলারকে ৯৯ মেট্রিকটন দেওয়া হলেও আমাকে দেওয়া হয় মাত্র ২০ মেট্রিকটন। যা চিতলমারী উপজেলা সদর ইউনিয়ন হিসেবে চাহিদার অতি সামান্য। এভাবে মাসের পর মাস ধরে সার বন্টনের সময় আমাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রতিকার পেতে আমি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত ভাবে আবেদন ও নিবেদন করেও কোন প্রকার পাইনি।’
চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য সচিব মোঃ সিফাত-আল-মারুফ বলেন, ‘এ উপজেলায় ৭ জন বিসিআইসি ও ১ জন বিএডিসি সার ডিলার রয়েছেন। বিএডিসি সার ডিলারকে বরাদ্দ বেশী দিলে কিছু বিসিআইসি সার ডিলার ক্ষিপ্ত হন। অন্য উপজেলায় কিভাবে সমান হারে বন্টন করেন সেটা আমার জানা নেই।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews