মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
রিধিকার ‘আত্মহত্যা’র শেষ মুহূর্তে কী ঘটেছিল, জানালেন মা গিলক্রিস্টের প্রশংসা মিরাজকে ‘তোমরা এভাবে খেলতে পারো, ভাবিনি’ ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়ার স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন বিলুপ্ত হচ্ছে র‍্যাব, গঠন হচ্ছে এসআরবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানালেন যুবরাজ মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে একটি জাতীয় অর্থনৈতিক হাব গড়ে তোলা হবে-সেতুমন্ত্রী দাকোপে দলিতের আয়োজনে কমিউনিটির সাথে স্থানীয় সরকারের সংলাপ অনুষ্ঠিত জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষ্যে অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিঘলিয়ায় নবাগত অফিসার ইনচার্জের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন উপজেলার সাংবাদিকবৃন্দ শার্শার বেনাপোল সহ সব বাজারে ৩০০ টাকার কাচাঁ মরিচ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, ১০ দিনে ২৩৩ টন আমদানি

বৈশাখের দাবদাহে পাইকগাছায় জমে উঠেছে ভ্রাম্যমাণ শরবতের দোকান

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
  • ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

এম জালাল উদ্দীন:পাইকগাছা(খুলনা):: বৈশাখের তীব্র দাবদাহে হাঁসফাঁস অবস্থা খুলনার পাইকগাছাবাসীর। দিনের প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে জনজীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হতে চাইছেন না। তারপরও জীবিকার তাগিদে বাইরে বের হওয়া মানুষজন তৃষ্ণা মেটাতে ভরসা রাখছেন রাস্তার পাশের ঠান্ডা শরবত, আখের রস ও মৌসুমি ফলের ওপর।

পাইকগাছা পৌর বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার মোড়, মার্কেটের সামনে ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অস্থায়ী শরবত ও ফলের দোকান। কোথাও বিক্রি হচ্ছে লেবুর শরবত, কোথাও আখের রস, আবার কোথাও বেলের শরবত, তরমুজ, ডাব, শসা ও আম-পেয়ারা। প্রচণ্ড গরমে এসব দোকানে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।

বিশেষ করে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ, ভ্যানচালক, বাসের হেলপার ও পথচারীরাই বেশি ভিড় করছেন এসব দোকানে। অল্প টাকায় সাময়িক স্বস্তি মেলায় সাধারণ মানুষের কাছে রাস্তার শরবত এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ ভ্যানে করে শরবত বিক্রি করতে দেখা গেছে অনেককে। বড় পাত্রে পানি ও বরফ মিশিয়ে তার সঙ্গে লেবু, বিট লবণ, চিনি, তোকমা ও বিভিন্ন ড্রিংক পাউডার মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে শরবত। বর্তমানে ৫ টাকায় লেবুর শরবত, ১০ টাকায় ড্রিংকস শরবত এবং ১০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আখের রস।

লেবুর শরবত বিক্রেতা নুর ইসলাম জানান, প্রতিদিন প্রায় দেড় থেকে দুইশ’ গ্লাস শরবত বিক্রি হয়। গরম বাড়লে বিক্রিও বাড়ে। তিনি বলেন, শিশু থেকে শুরু করে শ্রমজীবী মানুষ- সবাই শরবত পান করেন। গরমে মানুষ একটু স্বস্তির জন্য এগুলো বেশি খায়।

আরেক বিক্রেতা শহিদুল মোড়ল বলেন, গরম যত বাড়ছে, শরবতের চাহিদাও তত বাড়ছে। আমরা ভালো মানের বরফ ব্যবহার করি, এতে কোনো সমস্যা হয় না।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক দোকানে ব্যবহৃত বরফ স্বাস্থ্যসম্মত নয়। মাছ সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত বরফও অনেক সময় শরবতে ব্যবহার করা হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এসব বরফে কেমিক্যাল বা ক্ষতিকর উপাদান থাকার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে সাময়িক প্রশান্তি মিললেও বাড়তে পারে ডায়রিয়া, আমাশয় ও জন্ডিসসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি।

পাইকগাছা উপজেলা সেনিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক উদয় কুমার মণ্ডল বলেন, গরমে শরীর সুস্থ রাখতে বেশি বেশি পানি পান করা জরুরি। তবে রাস্তার পাশের পানীয় অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে তৈরি হতে হবে। বিক্রেতাদের এ বিষয়ে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ বলেন, অপরিষ্কার পরিবেশে তৈরি শরবত, আখের রস বা জুস খেলে ডায়রিয়া, আমাশয় ও জন্ডিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এসব দিক বিবেচনায় রাস্তার পাশের অস্বাস্থ্যকর খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews