সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
রিধিকার ‘আত্মহত্যা’র শেষ মুহূর্তে কী ঘটেছিল, জানালেন মা গিলক্রিস্টের প্রশংসা মিরাজকে ‘তোমরা এভাবে খেলতে পারো, ভাবিনি’ ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়ার স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন বিলুপ্ত হচ্ছে র‍্যাব, গঠন হচ্ছে এসআরবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানালেন যুবরাজ মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে একটি জাতীয় অর্থনৈতিক হাব গড়ে তোলা হবে-সেতুমন্ত্রী দাকোপে দলিতের আয়োজনে কমিউনিটির সাথে স্থানীয় সরকারের সংলাপ অনুষ্ঠিত জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষ্যে অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিঘলিয়ায় নবাগত অফিসার ইনচার্জের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন উপজেলার সাংবাদিকবৃন্দ শার্শার বেনাপোল সহ সব বাজারে ৩০০ টাকার কাচাঁ মরিচ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, ১০ দিনে ২৩৩ টন আমদানি

৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়ার স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে নিজেদের রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। পাশাপাশি, রাখাইন অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নতি হলে তাদেরকে স্বদেশে ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে।

সোমবার আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করেছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা নিরসনে এবং কার্যকর পদক্ষেপে এই স্বীকৃতি একটি বড় অগ্রগতি।

এর আগেও বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে একাধিকবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। তবে রাখাইনের নিরাপত্তাহীনতা, নাগরিক অধিকারের অভাব এবং মৌলিক সুরক্ষার নিশ্চয়তা না থাকায় এখন পর্যন্ত বড় কোনো দলকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাসদস্যদের সাথে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির অব্যাহত সংঘর্ষ পুরো বিষয়টি আরও জটিল করে তুলেছ। ফলে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির টানাপোড়েনে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের বিষয়টি এখনও শঙ্কার মুখে রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর বর্বর নির্যাতন ও সহিংসতার মুখে জীবন বাঁচাতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেন। বর্তমানে কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে ও ভাসানচরে সব মিলিয়ে ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। এদের মধ্যে অনেকে বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে অন্য দেশে পাড়ি জমাবার চেষ্টাও চালাচ্ছেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, মিয়ানমারের এই স্বীকারোক্তি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় একটি সদর্থক বার্তা দিলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব প্রদান, জানমালের সুরক্ষা ও সার্বিক মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত করা অতীব জরুরি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews