1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
২০২৫ সালে রেকর্ড ১২৯ সাংবাদিক নিহত সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শক্তিশালী হবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী-প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নতুন আইজিপিকে র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরালেন বিটিভিকে জনগণের প্রচার মাধ্যমে রূপান্তর করতে চাই-তথ্যমন্ত্রী কোস্টগার্ডের অভিযানে ৮ সহযোগীসহ জাহাঙ্গীর বাহিনী প্রধান আটক পাইকগাছায় শিবসা ব্রিজ যেন মরণফাঁদ; নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে ভ্যান খাদে দাকোপে জলবায়ু এ্যাকশন ফোরামের ত্রৈ-মাসিক সভা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে একটি বাস তল্লাশি করে কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক পাইকগাছায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে প্রশাসন কোস্টগার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ মাদককারবারি আটক

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শক্তিশালী হবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী-প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর আজ জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করব। আমাদের সদস্যরা দেশপ্রেম ও পেশাগত উৎকর্ষ নিয়ে সীমান্তে দায়িত্ব পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বুধবার জাতীয় সেনা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে শহীদ সেনা অফিসারদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালে পিলখানায় শাহাদাতবরণকারী সদস্যদের পরিবারবর্গ এবং সেই দুঃসহ স্মৃতি বয়ে বেড়ানো সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণআন্দোলন এবং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শাহাদাতবরণকারী সকল ছাত্র-জনতাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। বিশেষ করে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।

২৫ ফেব্রুয়ারিকে জাতির ইতিহাসের এক রক্তাক্ত দিন হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এই নির্মম ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে এক গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে তিনি নিজেকে কেবল একজন জনপ্রতিনিধি নয়, বরং একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন।

তিনি আরও জানান, দেশে ফেরার পর বনানী সামরিক কবরস্থানে গিয়ে তিনি শহীদদের পরিবারের ১৭ বছরের বিচার না পাওয়ার নিদারুণ যন্ত্রণা উপলব্ধি করেছেন। পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা জাতীয় দায়িত্ব বলে তিনি মনে করেন। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির স্মৃতি অম্লান রাখতে সরকার সেনাবাহিনী ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে কাজ করবে বলে তিনি জানান।

সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গৌরবময় ইতিহাসের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণার সময় থেকেই এই বাহিনীর সদস্যরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে চলেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই বাহিনীকে সুসংহত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শুরু করেছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন, পিলখানার মর্মান্তিক ঘটনা ছিল দেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাতের একটি অপপ্রয়াস। বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে তাঁর সরকার কাজ করবে। একইসঙ্গে শহীদ পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

পরিশেষে মাহে রমজানের শিক্ষা নিয়ে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে শহীদদের আত্মার শান্তি এবং তাঁদের পরিবারকে ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করার প্রার্থনা করেন। রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানসমূহ যেন ন্যায় ও শৃঙ্খলার পথে পরিচালিত হয়, সেই কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট