শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ঘোড়াঘাট পৌরসভায় বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন। পাইকগাছা পৌরসভার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য সাইট পরিদর্শন ইউএনওর নির্দেশনায় সংস্কার হলো মন্দিরের বেহাল রাস্তা: স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর সংবিধান সংশোধন করতে চায় সরকার, সংস্কার নয়-মির্জা ফখরুল ব্যালন ডি’অর নিয়ে সুখবর পেলেন মেসি সিরিয়ার কমান্ড সেন্টারে ইরানের হামলা, বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা হতাহত মহেশখালীতে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কুখ্যাত সন্ত্রাসী মিন্টু আটক যশোরের শার্শায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে একজন আটক নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন রিয়ার এডমিরাল মিসবাহ উল আজীম যুদ্ধটা অনেক বড়, টিকে থাকতে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে-প্রধানমন্ত্রী

টাকা তসারুপের অভিযোগ দুদকের মামলায় বাগেরহাট পৌরসভার ১৫ কর্মচারী কারাগারে

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
  • ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাট প্রতিনিধি :: অবৈধভাবে নিয়োগ নিয়ে সরকারি টাকা তসরুপের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় বাগেরহাট পৌরসভার ১৫ কর্মচারী কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত। রবিবার দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আসামীদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলা ও দায়রা জজ মো: আশরাফুল ইসলাম আসামীদের কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন- দিপু দাস পাম্প (অপারেটর), আসাদুজ্জামান (বাজার শাখার আদায়কারী), জ্যোতি দেবনাথ (সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক), মারুফ বিল্লাহ (সহকারী কর আদায়কারী), বালী শফিকুল ইসলাম (সহকারী কর আদায়কারী), শারমিন আক্তার বনানী (বিল ক্লার্ক, পানি শাখা), মো. হাচান মাঝি (ট্রাক চালক), হাসনা আক্তার (সুইপার সুপারভাইজার), মো. জিলানী (সুইপার সুপারভাইজার), তানিয়া (এমএলএসএস), অর্পূব কুমার পাল (পাম্প চালক), নিতাই চন্দ্র সাহা (পাম্প চালক), মোহাম্মদ মেহেদী হাসান (সহকারী পাম্প চালক), সাব্বির মাহমুদ (সহকারী কর আদায়কারী), পারভিন আক্তার (সহকারী কর আদায়কারী) । তারা সবাই পৌরসভার কর্মী ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানাযায়, ২০১৭ সালে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ বিধি না মেনে বাগেরহাট পৌরসভার পাম্প অপারেটরসহ বিভিন্ন পদে মোট ১৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। পৌর কর্তৃপক্ষ ও নিয়োগ প্রত্যাশীদের যোগশাযোগে এই অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। অবৈধ নিয়োগ প্রাপ্তরা ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ থেকে ২০২০ সালের ২৫ জুলাই পর্যন্ত বেতনভাতা-বাবদ সরকারের এক কোটি ২৬ লাখ ৮৮ হাজার ৮৫৩ টাকা তসরুপ করেন। এ ঘটনায় ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক তরুণ কান্তি ঘোষ বাদী হয়ে বাগেরহাট পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক খান হাবিবুর রহমানসহ ১৮ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে দুদক চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করেন। আদালত ২৬ জুন চার্জশীট অনুমোদন করেন।
এই মামলায় বাগেরহাট পৌর মেয়র খান হাবিবুর রহমান উচ্চ আদালতের জামিনে রয়েছেন।
দুদকের আইনজীবী মিলন কুমার ব্যানার্জি বলেন, পৌরসভার টাকা মানে সরকারের টাকা। পৌর কর্তৃপক্ষ ও নিয়োগপ্রত্যাশীরা যোগশাযগে নিয়োগ নিয়ে অবৈধভাবে এক কোটি ২৬ লাখ ৮৮ হাজার ৮৫৩ টাকা তসরুপ করেছেন। যা অনু অনুযায়ী অবৈধ। এজন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। আসামীরা হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।
এদিকে অবৈধ নিয়োগ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন না করে সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাগেরহাট পৌর সভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক খান হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের একটি মামলা রয়েছে।২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কারাগারে প্রেরণ করা হয় পৌর মেয়র ও সাবেক পৌর সচিব রেজাউল করিমকে। পরে তারা জামিনে মুক্ত হন।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews