শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
অস্ট্রেলিয়া সফরে স্বপ্নের মতো প্রথম দিন কাটালো বাংলাদেশ কে হচ্ছেন বিএনপির পরবর্তী মহাসচিব, আলোচনায় যাদের নাম দীর্ঘ ২৩ বছর পর ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের বৈঠক রবিউল আউয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট পাইকগাছায় জমিজমা বিরোধের কুপিয়ে জখমের অভিযোগ দিঘলিয়ায় দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল প্রতিদিনের প্রতিনিধি সৌমিত্র দত্তের পুত্র গোল্ডেন A+ পেয়েছে খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজকে সকল প্রকার অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে দূরে রাখতে হবে – আমীর এজাজ খান এমপি বাগেরহাটে জমি জবরদখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অসিত সাহার শোকাহত পরিবারের পাশে জেলা ছাত্র দলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আবু জাফর

সোয়া ১ লাখ কোটি টাকা পাচার, এস আলমের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে সিআইডি

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৪
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: এস আলম গ্রুপের মালিক মো. সাইফুল আলমসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি, ওভার ইনভয়েস, আন্ডার ইনভয়েজ ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মাধ্যমে হুন্ডি কার্যক্রম পরিচালনা করে প্রায় ১ লাখ ১৩ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

শনিবার (৩১ আগস্ট) অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম অনুসন্ধান শুরু করেছে। বিকেলে সিআইডিএ বিশেষ পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সিআইডি বিভিন্ন সূত্র থেকে জানতে পেরেছে এস আলমসহ সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বাতিল করে মাত্র একদিনের ব্যবধানে বাংলাদেশেই পিআর গ্রহণ করেছেন। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও সাইপ্রাসসহ ইউরোপে বাংলাদেশ থেকে অর্থপাচার করে নিজ ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের নামে স্থাবর/অস্থাবর সম্পদ ক্রয় ও ব্যবসা পরিচালনা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, পাচার করা অর্থে প্রায় ২৪৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের ‌‘ক্যানালি লজিস্ট্রিক প্রাইভেট লি.’ নামক প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরে প্রতিষ্ঠা করেছেন।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান বলেন, এছাড়া ভুয়া নথি তৈরি, জাল জালিয়াতি এবং প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে বিদেশে পণ্য আমদানি-রপ্তানি ও বিনিয়োগের জন্য নামে-বেনামে ৬টি ব্যাংক থেকে ৯৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করে বিদেশে পাচার করেছেন।

এছাড়া বিদেশে নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান ‘শেল কোম্পানি’ খুলে অফশোর ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা প্রতারণামূলকভাবে বিদেশে পাচার করেছেন।

সিআইডির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, এস আলম, তার স্ত্রী ফারজানা পারভীন, ছেলে আহসানুল আলম ও আশরাফুল আলমসহ তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় সংঘবদ্ধভাবে মানি লন্ডারিং অপরাধ করেছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

এ বিষয়ে মানি লন্ডারিং আইন ও বিধি অনুযায়ী সিআইডি অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews