রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
যে কারণে সৌদি প্রতিনিধিদের সুরা আল ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত শুনিয়েছে ইরান অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা পুনরায় চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশোধ নয়, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে একটি ক্রীড়াবান্ধব দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই-খুলনায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী চিতলমারীতে ১১ দলের বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা মন্ত্রিপরিষদ সচিবের খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বেনাপোলে ১১ দলীয় জোটের গনমিছিল পাইকগাছায় মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত: অবৈধ জাল ধ্বংস ও জরিমানা দালালমুক্ত ভূমি অফিস ও গতিশীল পৌরসভা: এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন, এসিল্যান্ড হাসপাতালটি এলাকার জনসাধারণের জন্য আশীর্বাদ -মন্ত্রিপরিষদ সচিব

চকচকে জিনিসেই ক্ষতিকর সীসার উপস্থিতি থাকতে পারে

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৬২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি:: চকচকে খেলনা, গুড়া মশলা, রঙিন খাবার, তৈজসপত্র, প্রসাধনীসহ সিঁদুর-সুরমাতে ক্ষতিকর সীসা থাকতে পারে। ব্যাটারি শিল্পে সবচেয়ে বেশি সীসা ব্যবহার করা হয়। সীসা খাদ্য এবং শ^াসপ্রশ^াসের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে। এর প্রভাবে হাঁড়ক্ষয়, দীর্ঘমেয়াদী ডায়েবিটিস ও উচ্চরক্তচাপ, রক্তশূন্যতা, শ্রবণশক্তি হ্রাস, মস্তিষ্কে নানা রকম জটিলতাসহ কিডনির বিভিন্ন রোগ হতে পারে।
সীসা দূষণ প্রতিরোধে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় এসকল তথ্য জানানো হয়। খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগ নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে সোমবার দিনব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করে। জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) ও খুলনা প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয় (কুয়েট) এতে সহযোগিতা করে।
মানবদেহে সীসা সংশ্লিষ্ট জটিলতার কোন চিকিৎসা নেই। তাই প্রতিরোধই সীসা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায়। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, শিশুদের খেলনা ব্যবহারে সতর্ক থাকা, চকচকে খাবার ও দ্রব্যাদি পরিহার করা এবং শ্রমিকরা কাজ শেষে তাদের পোশাক খুলে ঘরে প্রবেশ করা প্রয়োজন। এর সাথে ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার, জিংক সমৃদ্ধ খাবার ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে সীসা দূষণ থেকে কিছুটা হলেও পরিত্রাণ মিলতে পারে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ হুসাইন শওকত। খুলনা স্বাস্থ্য দপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. মোঃ মনজুরুল মুরশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কুয়েটের কেমিক্যাল ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাসান ও ইউনিসেফ ফিল্ড অফিসের চিফ মোঃ কাউসার হোসাইন বক্তৃতা করেন। কর্মশালায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. মাহফুজুর রহমান ও কুয়েটের কেমিক্যাল ডিসিপ্লিনের শিক্ষক মোঃ ফয়সাল ফেরদৌস।
কর্মশালায় জানানো হয়, সীসা দূষণে গর্ভবতী মা ও শিশুরা বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। শিশুদের শরীর বয়ষ্কদের তুলনায় ৪-৫ গুণ বেশি সীসা শোষণ হয়ে থাকে। পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ অর্থাৎ আটশত মিলিয়ন শিশু সীসা দূষণের শিকার। ২০১৯ সালে সারা বিশে^ সীসা দূষণের দীর্ঘমেয়াদী প্রতিক্রিয়ায় ০.৯০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়।
কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিশ^বিদ্যালয়-কলেজ-স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews