1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
খুলনায় ঈদের প্রধান জামাত সার্কিট হাউস ময়দানে সকাল সাতটায় মেসিকে নিয়ে স্কালোনির আবেগঘন মন্তব্য ৪৪তম বিসিএস: ১০১ জনের নন-ক্যাডার মনোনয়ন বাতিল শুধু পদ্মা ব্যারাজ নয়, তিস্তা প্রকল্পেও হাত দেবে সরকার-প্রধানমন্ত্রী বেনাপোলে অভিযান চালিয়ে ১২ লাখ টাকার চোরাচালানী পণ্য আটক খুলনায় বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত জলবায়ু সংক্রান্ত ক্ষয়-ক্ষতি বিষয়ক জাতীয় কৌশল প্রণয়নে সহযোগিতার লক্ষ্যে স্টেকহোল্ডারদের কর্মশালা পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক মৌমাছি দিবস পালিত পাইকগাছার বিখ্যাত বোম্বাই লতা আমে ‘স্ক্যাব’ রোগের থাবা,দিশেহারা শত শত চাষি দাকোপে কোরবানীর পশুরহাটে গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসায় মেডিকেল টিমের ক্যাম্প

ডুমুরিয়ায় বৃষ্টির কারণে সরবরাহ সংকট, ৮০-১০০ টাকার নিচে মিলছে না সবজি

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

অরুণ দেবনাথ, ডুমুরিয়া প্রতিনিধি :: বৃষ্টির কারণে সরবরাহ সংকটে ডুমুরিয়া উপজেলার কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দাম চড়। ৫০ থেকে ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি মিলছে না। এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। ডিম, মাছ-মাংসের দরও চড়া।
এক দোকানে একরকম দাম, পাশের দোকানেই বেশি- পরিস্থিতি এমনই। বিক্রেতাদের অজুহাত বরাবরের মতো বৃষ্টির কারণে সরবরাহ সংকট। অথচ বাজার পণ্যে সয়লাব।ভোক্তারা জানাচ্ছেন তাদের অসহায়ত্বের কথা। বলছেন, প্রায় দুই মাস ধরে নিত্যপণ্যের বাজারে লাগামছাড়া অবস্থা চলছে।
খর্নিয়া বাজারে কথা হয় স্কুলশিক্ষক আল-আমিন খান এর সঙ্গে। নিত্যপণ্যের দর নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাজারে এলে মন খারাপ হয়ে যায়। সবকিছুর দাম বাড়তি। ১০০ টাকার নিচে তো ভালো সবজিই পাচ্ছি না। প্রায় ২মাস ধরে বর্ষা এমন পরিস্থিতিতে ডুমুরিয়ার বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়েছে। আগের সপ্তাহসহ হিসেব করলে সবজির দাম কেজিতে অন্তত ৩০ টাকা বেড়েছে। কাঁকরোল, ঝিঙা, পটল, ঢেঁড়শ, শসা, করলা প্রতিকেজি ৬০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। বরবটির দাম কেজি প্রতি ৬৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুনের দামও ৮০ টাকা। টমেটো ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কচুরমুখী,কেজিপ্রতি ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা আটি।
হাইব্রিড শসা ৬০ টাকা, কাঁচ কলার কেজি ৪০ টাকা, ফুলকপি ও বাঁধাকপি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুধুমাত্র মিষ্টিকুমড়ার দাম আছে নাগালের মধ্যে, প্রতিকেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা। আলু ২৫ টাকা,কাঁচামরিচের দাম গত সপ্তাহেও ১২০ থেকে ১৪০ টাকা ছিল। এ সপ্তাহে সেটা ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। লালশাক ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির বাজারের এমন পরিস্থিতি নিয়ে কাচা মাল বিক্রেতা সফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে সবজি আসে মূলত গ্রামগঞ্জের থেকে সেখানে টানা বৃষ্টির কারণে ফসলি জমির ক্ষতি হয়েছে।
এতে সরবরাহ খুবই কম। যে সবজি এখন বাজারে আসছে, সেগুলো বাড়তি দামে কিনেই বিক্রি করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে বিভিন্ন খরচও সমন্বয় করতে হচ্ছে।
দেশি রসুন ১২০ টাকা, চায়না রসুন ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, চায়না আদা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, ভারতীয় আদা ১২০ দরে বিক্রি হয়েছে, যা আগেরমতোই আছে। মাছের চড়া দর এখনও বহাল আছে।
ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়,
গলদা বাগদা প্রকার ভেদে আকারভেদে ৬৫০ থেকে ১২০০/১৮০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। ইলিশ এখনও সাধারণ ক্রেতার নাগালে আসেনি। খুচরা বাজারে এক-দেড় কেজি ওজনের ইলিশ ২০০০ থেকে ২৪০০ টাকা, ৫০০-৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১৫০০ টাকা, এক কেজির কিছু কম ওজনের ইলিশ ১৮০০-২০০০ টাকা এবং জাটকা বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায়। এছাড়া খাল-নদী ও চাষের মাছের মধ্যে রুই ও কাতলা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০, পুঁটি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, নাইলোটিকা ২২০ থেকে ২৮০ টাকা, কৈ ৪০০ থেকে ৫০০ এবং তেলাপিয়া ও পাঙাশ মিলছে ২২০ থেকে ২৮০ টাকায়। বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম কেজিতে অন্তঃত ৫০ টাকা বেড়ে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগি ২৮০ থেকে ৩১০ টাকা, পাকিস্তানি কক ৩৫০ টাকা এবং জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায়। অন্যান্য মাংসের মধ্যে গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চালের দরও আগের মতো চড়া আছে। সব মিলিয়ে সবজি ক্রেতারা সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট