1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৯:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হরমুজ প্রণালীতে সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তাই পুলিশের মূল লক্ষ্য-প্রধানমন্ত্রী হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানের সমাপনী মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অভিযান দুই শতাধিক গাছ কর্তন, দাকোপে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পাইকগাছায় রিপ্রেজেন্টেটিভদের নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে মানববন্ধন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি বিরুরদ্ধে শিক্ষকের জমি দখলের অভিযোগ বিশ্বকাপ ফুটবল,শিক্ষার্থীদের খেলা দেখার সুযোগ দিতে শিক্ষাবর্ষ ছোট করছে মেক্সিকো ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গোপসাগরে জরিপে নামছে নরওয়ের গবেষণা জাহাজ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৮৪ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)-এর সহযোগিতায় নরওয়ের অত্যাধুনিক সামুদ্রিক গবেষণা জাহাজ ‘আর ভি ড. ফ্রিডজোফ নানসেন’ আগামী ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক মাসব্যাপী বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম জরিপ পরিচালনা করবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এ তথ্য জানান।

উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। এ জরিপের মাধ্যমে মৎস্যসম্পদের মজুত নিরূপণ, ইকোসিস্টেম পর্যবেক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্লেষণ করা হবে। যা ভবিষ্যতে টেকসই আহরণ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

তিনি বলেন, এবারের জরিপে বাংলাদেশের ১৩ জন জাতীয় গবেষকসহ বিশ্বের মোট ২৬ জন গবেষক অংশ নিচ্ছেন। গবেষকরা উপকূলীয় এবং গভীর সমুদ্রে বিদ্যমান ছোট আকারের পেলাজিক ও মেসোপেলাজিক মাছের আপেক্ষিক প্রাচুর্যতা ও মজুত নির্ধারণসহ ইকোসিস্টেমের সার্বিক অবস্থা নিরুপণ করা হবে, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে টেকসই আহরণের সীমা নির্ধারণের পাশাপাশি গভীর ও আন্তর্জাতিক সমুদ্র অঞ্চলে বাণিজ্যিক মৎস্যসম্পদের অনুসন্ধান ও আহরণে বিপুল সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। জরিপের সময় সমুদ্রের পানি স্তর ও কলামের তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, পুষ্টি উপাদান, ঘোলাভাব, উৎপাদনশীলতা, স্রোতের দিক ও গতি ইত্যাদি পরিমাপ করা হবে।

উপদেষ্টা জানান, মেসোপেলাজিক মাছ এবং প্ল্যাঙ্কটন সমুদ্রের খাদ্য শৃঙ্খলের মূল ভিত্তি। গভীর সমুদ্র অঞ্চলে এদের জৈবভর, প্রজাতিগত বৈচিত্র্য ও বিতরণ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এটি সামুদ্রিক ইকোসিস্টেমের সুস্থতা এবং বাণিজ্যিক মাছের উৎপাদনশীলতা বোঝার জন্য জরুরি।

তিনি বলেন, গবেষণা জাহাজ আর ভি ড. ফ্রিডজোফ নানসেন সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে এবং দ্বিতীয়বার ১৯৮০ সালে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় জরিপ পরিচালনা করে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে এফএও ও নরওয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন রিসার্চ (আইএমআর)-এর সহযোগিতায় জাহাজটি বঙ্গোপসাগরে মাছের মজুত ও ইকোসিস্টেম গবেষণা চালায়।

উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, এবারের জরিপ বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। জরিপ থেকে পাওয়া বৈজ্ঞানিক তথ্য বাংলাদেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, টেকসই আহরণ, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজন এবং সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষায় জাতীয় নীতি প্রণয়নে সরাসরি সহায়তা করবে। এছাড়া এটি বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করবে। সমুদ্রের বিভিন্ন গভীরতা ও পরিবেশ অনুযায়ী আবাসস্থলের মানচিত্র তৈরি করা হবে, যা প্রজাতি সংরক্ষণ ও মৎস্য ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি, এর মাধ্যমে গভীর সমুদ্রের সম্ভাবনা উন্মোচিত হবে, টেকসই মৎস্য আহরণের পথ সুগম হবে এবং সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষায় বৈজ্ঞানিক তথ্যভান্ডার সমৃদ্ধ হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট