বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
খুদে শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর অন্তত একটি গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশি সমর্থকদের আজ জয় উপহার দিতে চায় আর্জেন্টিনা-লিওনেল স্কালোনি পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তাকে বদলি প্রাথমিক শিক্ষা পদক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ পাইকগাছায় পারিবারিক জমি বিরোধের মামলায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পিবিআই দাকোপে দুস্ত অসহায় মানুষের মাঝে টিন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান জলবায়ু সংক্রান্ত জাতীয় কৌশল প্রণয়নে সহযোগিতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত একজন নারী স্বাবলম্বী হওয়ার অর্থ হচ্ছে একটি পরিবারের সুরক্ষিত হওয়া -নজরুল ইসলাম মঞ্জু শার্শায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে কিশোর আটক

তারুণ্যের দীপ্ত প্রতীক কবি রুদ্রের ৬৯ তম জন্মদিন ১৬ অক্টোবর

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৭৩৭ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন, মোংলা:: প্রেম ও দ্রোহের কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ৬৯ তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৫৬ সালের আজকের এই দিনে (১৬ অক্টোবর) মোংলা উপজেলার মিঠেখালি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। কবির জন্মদিন উদযাপনে রুদ্র স্মৃতি সংসদ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

‘ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ গানের স্রষ্টা, তারুণ্য ও সংগ্রামের দীপ্ত প্রতীক কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ। বাংলাদেশের কবিতায় অবিস্মরণীয় এই কবির শিল্পমগ্ন উচ্চারণ তাকে দিয়েছে সত্তরের অন্যতম কবি-স্বীকৃতি। ১৯৯১ সালের ২১ জুন মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মারা যান তিনি। কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রুদ্র স্মৃতি সংসদ আজ কবির গ্রামের বাড়ি মোংলার মিঠেখালিতে সকালে শোভাযাত্রা সহকারে সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। এছাড়া সন্ধ্যায় রুদ্র স্মৃতি সংসদ ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট মোংলা শাখা স্মরণ সভার আয়োজন করেছে। স্মরণসভা শেষে রুদ্রের কবিতা আবৃত্তি ও তার গান পরিবেশিত হবে।

উল্লেখ্য, অকালপ্রয়াত এই কবি নিজেকে মিলিয়ে নিয়েছিলেন আপামর নির্যাতিত মানুষের আত্মার সঙ্গে। সাম্যবাদ, মুক্তিযুদ্ধ, ঐতিহ্যচেতনা ও অসাম্প্রদায়িকবোধে উজ্জ্বল তার কবিতা। ‘জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে সেই পুরোনো শকুন’- এই নির্মম সত্য অবলোকনের পাশাপাশি উচ্চারণ করেছেন অবিনাশী স্বপ্ন- ‘দিন আসবেই- দিন সমতার’। যাবতীয় অসাম্য, শোষণ ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে অনমনীয় অবস্থান তাকে পরিণত করেছে ‘তারুণ্যের দীপ্ত প্রতীক’-এ। একই সঙ্গে তার কাব্যের আরেক প্রান্তর জুড়ে রয়েছে স্বপ্ন, প্রেম ও সুন্দরের মগ্নতা।

মাত্র ৩৫ বছরের (১৯৫৬-১৯৯১) স্বল্পায়ু জীবনে তিনি সাতটি কাব্যগ্রন্থ ছাড়াও গল্প, কাব্যনাট্য এবং অর্ধ শতাধিক গান রচনা ও সুরারোপ করেছেন। পরবর্তীকালে ‘ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ গানের জন্য তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি প্রদত্ত ১৯৯৭ সালের শ্রেষ্ঠ গীতিকারের (মরণোত্তর) সম্মাননা লাভ করেন। ‘উপদ্রুত উপকূল’ ও ‘ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম’ কাব্যগ্রন্থ দুটির জন্য ‘সংস্কৃতি সংসদ’ থেকে পরপর দু’বছর মুনীর চৌধুরী সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews