মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পানখালীতে উত্তরণ কল প্রকল্পের উদ্যোগে বিনামূল্যে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির টিকাদান ক্যাম্পেইন তারাকান্দা বাসস্ট্যান্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও শব্দদূষণবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মণিপুরে ছড়িয়ে পড়েছে সংঘাত, পাহাড়ে তীব্র হচ্ছে সহিংসতা নিজেকে গড়ে তোলো, তাহলেই গড়ে উঠবে সুন্দর বাংলাদেশ-প্রধানমন্ত্রী জিয়া হল কমপ্লেঙ্ নির্মাণের সম্ভাবতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত পরিবেশ সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহমুক্ত সমাজ গঠনে সভা পাইকগাছা পৌরসভার অন্যতম প্রধান সড়কে ভয়াবহ ধস; দ্রুত সংস্কারের দাবি বাগেরহাটে খাল দখলমুক্তের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের অবস্থান, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বাগেরহাটে আইনজীবী নিজাম উদ্দিন শান্ত হত্যা: প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার ৪

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে যে বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্ট

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯২ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যতের সব নির্বাচনের জন্য একটি মানদণ্ড (বেঞ্চমার্ক) হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই মন্তব্য করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

নির্বাচন ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ বৈঠকে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থা থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যবেক্ষক এই ভোট প্রত্যক্ষ করতে আসবেন।

প্রধান উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে এবং ভবিষ্যতে ভালো নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি নতুন মানদণ্ড তৈরি করবে।

জবাবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যারা জয়ী হবেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গেই কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছে। এ সময় তিনি গত ১৮ মাসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগ ও অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বাণিজ্য ও শ্রম আইন সংস্কার বৈঠকে নবঘোষিত শ্রম আইনের সংস্কার এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্ক কমিয়ে দেওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান বাণিজ্য আলোচনার মাধ্যমে এই শুল্ক আরও কমানো সম্ভব হবে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতও ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কৃষি পণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আঞ্চলিক সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা সংকট অধ্যাপক ইউনূস দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রধান মাধ্যম হিসেবে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ যাতে আসিয়ানের ‘সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনারশিপ’ লাভ করতে পারে, সে বিষয়েও আলোচনা হয়। ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন প্রধান উপদেষ্টা।

ভিসা নীতি ও অন্যান্য বৈঠকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের ওপর সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ভিসা বিধিনিষেধের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews