1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
দুই ডিআইজিসহ পুলিশের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ‘বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে সকল ধর্মাবলম্বীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারের অস্থিরতায়ও অটল তারেক রহমানের জনবান্ধব সরকার বেনাপোল বন্দরে সিন্থেটিক কাপড় ঘোষণায় বিপুল-পরিমাণ শাড়ি-থ্রিপিস আমদানির অভিযোগ পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রহস্যজনক চুরি, সিসি ক্যামেরার সরঞ্জাম উধাও কেসিসি প্রশাসকের সাথে এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের নবনির্বাচিত পরিষদ নেতৃবৃন্দের সাক্ষাত নারায়ণগঞ্জে কোস্টগার্ডের অভিযানে ৭৩০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ পানি সম্পদ রক্ষায় পাইকগাছায় সমন্বিত উদ্যোগ; কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টিতে বাঁহাতি পেসারদের সিংহাসনে মোস্তাফিজ লাল-সবুজের বিজয়োল্লাস, ছাদখোলা বাসে সাফজয়ী যুবাদের রাজকীয় সংবর্ধনা

নির্বাচনে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা ও নাগরিকবান্ধব আচরণের নির্দেশ সেনাপ্রধানের

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

রংপুর:: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

মঙ্গলবার রংপুর সফরকালে তিনি সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এই কঠোর বার্তা প্রদান করেন।

সেনাপ্রধান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করতে হবে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রাখতে হবে।

রংপুর সার্কিট হাউজে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা একটি বিশাল জাতীয় দায়িত্ব। এই লক্ষ্য অর্জনে সামরিক ও বেসামরিক প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে একটি সুশৃঙ্খল চেইনের মতো সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনকালীন সময়ে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় পারস্পরিক সমন্বয় ও তথ্যের আদান-প্রদান ত্রুটিমুক্ত হওয়া বাঞ্ছনীয়। প্রশাসনিক দক্ষতা ও সামরিক শৃঙ্খলার সংমিশ্রণে একটি ভীতিমুক্ত পরিবেশ তৈরি করাই হবে এই মোতায়েনের মূল উদ্দেশ্য।

সার্কিট হাউজের সভা শেষে সেনাপ্রধান রংপুর মহানগরীর শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়ামে যান। সেখানে নির্বাচনী দায়িত্বে মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সশরীরে পরিদর্শন করেন তিনি। দণ্ডায়মান সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি তিনটি বিষয়ের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করেন:

কঠোর নিরপেক্ষতা: কোনো বিশেষ পক্ষ বা গোষ্ঠীর প্রতি অনুকম্পা না দেখিয়ে আইন অনুযায়ী সমভাব বজায় রাখা।

পেশাদারত্ব: সেনাসুলভ গাম্ভীর্য ও শৃঙ্খলার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করা।

নাগরিকবান্ধব আচরণ: সাধারণ ভোটার ও জনগণের সাথে বিনয়ী ও সহযোগিতামূলক আচরণ করা, যাতে জনমনে সেনাবাহিনীর প্রতি বিশ্বাস ও নির্ভরতা অক্ষুণ্ণ থাকে।

এবারের নির্বাচন ও গণভোট বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নির্বাচনী তফশিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারিত রয়েছে। নির্বাচনের পাশাপাশি সাংবিধানিক সংস্কার বা জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রস্তাবিত গণভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সেনাবাহিনীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

সেনাপ্রধানের এই সফর ও নির্দেশনা মূলত মাঠপর্যায়ের সদস্যদের মনোবল চাঙ্গা করা এবং যেকোনো প্রকার অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক এড়াতে আগাম সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সেনাপ্রধান তাঁর বক্তব্যে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি নির্দেশ দেন যে, ভোটের পরিবেশ বিঘ্নকারী যেকোনো অপতৎপরতা কঠোর হাতে দমন করতে হবে, তবে তা হতে হবে আইনসিদ্ধ এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে।

রংপুর সফরের সময় সেনাপ্রধানের সাথে সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের ডিআইজি এবং জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার জন্য প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ নতুন এবং বিশ্লেষণধর্মী আঙ্গিকে তৈরি করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট