1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
দুই ডিআইজিসহ পুলিশের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ‘বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে সকল ধর্মাবলম্বীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারের অস্থিরতায়ও অটল তারেক রহমানের জনবান্ধব সরকার বেনাপোল বন্দরে সিন্থেটিক কাপড় ঘোষণায় বিপুল-পরিমাণ শাড়ি-থ্রিপিস আমদানির অভিযোগ পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রহস্যজনক চুরি, সিসি ক্যামেরার সরঞ্জাম উধাও কেসিসি প্রশাসকের সাথে এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের নবনির্বাচিত পরিষদ নেতৃবৃন্দের সাক্ষাত নারায়ণগঞ্জে কোস্টগার্ডের অভিযানে ৭৩০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ পানি সম্পদ রক্ষায় পাইকগাছায় সমন্বিত উদ্যোগ; কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টিতে বাঁহাতি পেসারদের সিংহাসনে মোস্তাফিজ লাল-সবুজের বিজয়োল্লাস, ছাদখোলা বাসে সাফজয়ী যুবাদের রাজকীয় সংবর্ধনা

নির্বাচনে ৩ স্তরের নিরাপত্তা: ৭ দিন মাঠে থাকবে ৯ লাখ ফোর্স, ব্যবহারের হবে ড্রোন ও সিসিটিভি

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটকে কেন্দ্র করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নির্বাচনের আগে ও পরে মিলিয়ে মোট সাত দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বুধবার দুপুরে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভা শেষে এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে আশ্বস্ত করে উপদেষ্টা বলেন, পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। অন্যান্য বারের তুলনায় এবার নির্বাচনী পরিবেশ অনেক বেশি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত পরিপত্র অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রিক বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ভোটের আগে ৪ দিন অর্থাৎ ৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই নির্বাচনী এলাকার শান্তি বজায় রাখতে এবং সন্ত্রাসীদের তৎপরতা রুখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন শুরু হবে। এ ছাড়া ভোটের পর আরও ২ দিন অর্থাৎ পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা সহিংসতা রোধে পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও সশস্ত্র বাহিনী মাঠে অবস্থান করবে।

এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তার কাজে রেকর্ড সংখ্যক ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ১ লাখ সেনা সদস্য, ৫ হাজার নৌ সদস্য এবং ৩ হাজার ৭৩০ জন বিমান বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া প্রায় দেড় লাখ পুলিশ, ৫ লাখ ৭৬ হাজার আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য এবং বিজিবি, র‍্যাব ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কমপক্ষে ৫ জন অস্ত্রধারী সদস্য মোতায়েন থাকবে যার মধ্যে ২ জন পুলিশ ও ৩ জন আনসার সদস্য থাকবেন। তবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

এবারের নির্বাচনে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে প্রযুক্তির ব্যবহার দেখা যাবে। দেশজুড়ে নির্বাচনী এলাকায় ৪১৮টি ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে আকাশপথে নজরদারি চালানো হবে। গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের পোশাকে থাকবে ২৫ হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরা বা গায়ে ধারণযোগ্য ক্যামেরা। এ ছাড়া সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সাথে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ ও অভিযোগ গ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।

২০২৬ সালের নির্বাচনী নিরাপত্তার চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, সেনাবাহিনী ১ লাখ সদস্য নিয়ে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স বা বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় নিয়োজিত থাকবে। ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩ জন পুলিশ সদস্য কেন্দ্র ভিত্তিক নিরাপত্তা ও টহলে নিয়োজিত থাকবেন। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪ জন সদস্য কেন্দ্র পাহারা ও শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করবেন। ৪৫ হাজার ১৫৩ জন বিজিবি ও র‍্যাব সদস্য সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবেন। ড্রোন ও সিসিটিভির মতো প্রযুক্তি রিয়েল টাইম বা তাৎক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও জালিয়াতি রোধে বড় ভূমিকা রাখবে।

খুলনার সভায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কর্মকর্তাদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আপনারা রাষ্ট্রের কর্মচারী। কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের দ্বারা প্রভাবিত হওয়া যাবে না। নিরপেক্ষতার প্রশ্নে সরকার বিন্দুমাত্র শৈথিল্য দেখাবে না। দায়িত্ব অবহেলা বা কোনো পক্ষের হয়ে কাজ করার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সরকার এবং নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। বিপুল সংখ্যক বাহিনীর উপস্থিতি এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে জালিয়াতিমুক্ত রাখবে বলে প্রত্যাশা করছেন সাধারণ ভোটাররা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট