1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন

সংকটজয়ী অগ্রযাত্রা,প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক নতুন সম্ভাবনার বাংলাদেশ

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: একবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে বাংলাদেশ আজ এক অনন্য সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিধ্বংসী যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক মহামারীর অবশিষ্টাংশের নেতিবাচক প্রভাব, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির আমূল পরিবর্তন, সব মিলিয়ে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

তবে সব বাধা বিপত্তি ছাপিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাদুকরী নেতৃত্ব ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনায় দেশ এখন এক সোনালী স্বপ্নের দিকে ধাবিত হচ্ছে। বন্ধ কলকারখানা পুনরায় সচল করা থেকে শুরু করে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের স্থায়ী সমাধান, সবক্ষেত্রেই বইছে পরিবর্তনের হাওয়া।

বর্তমান সরকার এমন এক সময়ে ক্ষমতায় এসেছে যখন বিশ্ব অর্থনীতি টালমাটাল। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও পণ্যমূল্যকে অস্থির করে তুলেছে। এর সাথে যোগ হয়েছিল মহামারীর পরবর্তী ধাক্কা। এই দ্বিমুখী সংকটের মধ্যেও ছাত্র, জনতার বিপ্লবের পরবর্তী বাংলাদেশে নিরঙ্কুশ জনসমর্থন নিয়ে গঠিত সরকার রাষ্ট্র সংস্কারে হাত দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চরম প্রতিকূলতার মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা এবং জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা ছিল এক বিশাল চ্যালেঞ্জ, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে সফলভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে।

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে যে দুঃসহ জীবন যাপন করেছে, তা এখন দ্রুত অতীত হতে চলেছে। গতকাল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এক অভাবনীয় সাফল্যের খবর।

মন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেছেন, এখন আর পাম্পে অকটেন বা পেট্রোলের জন্য কোনো যানবাহনকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে না। সরবরাহ ব্যবস্থা এমন পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে যেখানে জ্বালানি তেল এখন মানুষের হাতের নাগালে। একই সাথে সারা দেশে লোডশেডিংয়ের মাত্রা প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছে।

শিল্প উৎপাদন থেকে শুরু করে সাধারণ গৃহস্থালি, সবখানি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তদারকি ও শূন্য সহনশীলতা নীতির কারণেই বিদ্যুৎ চুরি ও পদ্ধতিগত লোকসান কমিয়ে এই বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধারণ মানুষ একটি জাদুকরী পরিবর্তন হিসেবে দেখছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিশ্রমী জীবন এখন দেশজুড়ে আলোচনার বিষয়। গতকাল জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএনপির মহাসচিব ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রীর একনিষ্ঠতার কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নেওয়ার নেশায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিনরাত এক করে কাজ করছেন। তিনি প্রতিদিন গড়ে ১৮ ঘণ্টা পরিশ্রম করছেন। প্রতিটি ফাইল নিজে পরীক্ষা করছেন এবং মানুষের সমস্যা সমাধানে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। সংসদে উঠে আসা এই তথ্য দেশবাসীকে নতুন করে আশাবাদী করে তুলেছে। বিরোধী দল এবং সাধারণ নাগরিকরা অনুভব করছেন যে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে যদি এমন ত্যাগ ও কঠোর পরিশ্রম আসে, তবে দেশের উন্নয়ন অনিবার্য।

তারেক রহমানের অর্থনৈতিক দর্শনের মূলে রয়েছে উৎপাদনমুখী অর্থনীতি। মহান মে দিবসের সমাবেশে তিনি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা দেশের শিল্প খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। বিগত সরকারের ভুল নীতি ও দুর্নীতির কারণে যেসব লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি কলকারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, সেগুলো পর্যায়ক্রমে চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী বন্ধ কারখানাগুলো খুললে লাখো বেকার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে, যা দারিদ্র্য বিমোচনে বড় ভূমিকা রাখবে। কেবল পোশাক খাতের ওপর নির্ভর না করে পাট, চামড়া এবং ভারী শিল্পকে পুনরায় শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগে ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন।Politics

মহামারীর ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা এবং বৈশ্বিক মন্দার ঢেউ সামলানো কোনো সাধারণ কাজ ছিল না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিটি সংকটকে সুযোগে পরিণত করেছেন। তাঁর প্রতিটি প্রতিশ্রুতি, তা সে ডিজিটাল সংস্কার হোক কিংবা তৃণমূলের মানুষের অধিকার রক্ষা, বাস্তবায়নের পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তারেক রহমানের এই চমকপ্রদ সিদ্ধান্তগুলো কেবল সাময়িক স্বস্তি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী এক অর্থনৈতিক কাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করছে। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ আর কেবল টিকে থাকার লড়াই করছে না, বরং দক্ষিণ এশিয়ার একটি উদীয়মান শক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্নে বিভোর।

কঠিন চ্যালেঞ্জের পাহাড় ডিঙিয়ে বাংলাদেশ আজ এক নতুন ভোরে পা রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সততা, ১৮ ঘণ্টার পরিশ্রম এবং দূরদর্শী পরিকল্পনা দেশকে এক সম্ভাবনার শিখরে নিয়ে যাচ্ছে।

সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ খুব শীঘ্রই তার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। জ্বালানি, বিদ্যুৎ আর শিল্পের চাকা যেভাবে ঘুরতে শুরু করেছে, তাতে নতুন বাংলাদেশ এখন আর কেবল স্বপ্ন নয়, এক দৃশ্যমান বাস্তবতা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট