
ছবি : সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ ঘিরে পুরোনো বিতর্ক নতুন করে সামনে এসেছে একটি গোপন কূটনৈতিক নথি প্রকাশের পর।
সোমবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০২২ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত আসাদ মজিদ খান এবং মার্কিন কূটনীতিক ডোনাল্ড লুর মধ্যে হওয়া কথোপকথনের বিস্তারিত উঠে আসে। ওই নথি ঘিরে আবারও “বিদেশি প্রভাব” ও “রাজনৈতিক পরিবর্তন” নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ওই সময়ের আলোচনায় পাকিস্তানকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব পরিবর্তন হলে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন কমতে পারে। সেখানে ইউক্রেন যুদ্ধ ও আফগানিস্তান ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থানও প্রসঙ্গ হিসেবে উঠে আসে।
তবে ইমরান খান দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন, তাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ একসঙ্গে কাজ করেছে। তাঁর অভিযোগ, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের কারণেই তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র আগেই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। ওয়াশিংটনের দাবি, পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিবর্তন সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং সেখানে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রমাণ নেই।
প্রকাশিত তথ্যে আরও বলা হয়, ২০২২ সালের ৭ মার্চের ওই কূটনৈতিক যোগাযোগের পর পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিবর্তন আসে এবং পরে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ইমরান খান ক্ষমতা হারান।
এরপর দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়। তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর ওপর বিভিন্ন সময় আইনি ও প্রশাসনিক চাপ বাড়ে এবং নির্বাচনী পরিবেশেও পরিবর্তন আসে।
Leave a Reply