বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দাকোপে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক স্কুল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে গাঁজাসহ মাদককারবারি আটক মোংলায় ২২১ গরীব রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিলো কোস্টগার্ড পাইকগাছায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা বাগেরহাটে ২ কেজি গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পাইকগাছার বাদুড়িয়ার পুকুরে শোলের সমারোহ; বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতি নকআউট থেকে ফাইনালের সমীকরণ, সবকিছুই যেন আর্জেন্টিনার পক্ষে! ইরানের তহবিল মুক্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র, হরমুজ প্রণালী সচল করার আভাস প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এবার সুইজারল্যান্ড সফরের আমন্ত্রণ

ফিলিস্তিনিদের নির্যাতন করায় ইসরায়েলি ৪ সংস্থার ওপর ইইউর নিষেধাজ্ঞা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: অবশেষে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে কয়েকটি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানে গেল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন কাউন্সিল আনুষ্ঠানিকভাবে চারটি সংস্থা ও তিন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছে।

ইইউর ভাষ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা ব্যক্তি ও সংগঠনগুলো পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত। বিশেষ করে জোরপূর্বক উচ্ছেদ, জমি দখল, বসতি সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর হামলার অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘নাহালা সেটেলমেন্ট মুভমেন্ট’, ‘রেগাভিম’, ‘হাশোমের ইয়োশ’ এবং ‘আমানা’। এছাড়া এসব সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনজন ব্যক্তিকেও কালোতালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

ইইউর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ইউরোপে থাকা সম্পদ জব্দ করা হবে। একই সঙ্গে তাদের আর্থিক লেনদেন সীমিত করা এবং ইউরোপীয় দেশগুলোতে ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু প্রতীকী পদক্ষেপ নয়; বরং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ নিয়ে ইউরোপের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের বহিঃপ্রকাশ। দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন কার্যক্রমকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে সমালোচনা করে আসছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে হামলা, নতুন বসতি নির্মাণ এবং সহিংসতার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় ইইউর ভেতরেও কঠোর অবস্থান নেওয়ার দাবি জোরালো হয়। ইউরোপের কয়েকটি দেশ মনে করছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পথ আরও সংকুচিত করছে।

এদিকে ইসরায়েলের কট্টরপন্থী মহল ইইউর এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে। যদিও ইসরায়েল সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানায়নি, দেশটির ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলো এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক পক্ষপাত হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

একই সঙ্গে ইইউ হামাসের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধেও নতুন নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে ব্রাসেলস একদিকে যেমন ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান বজায় রাখছে, অন্যদিকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি উগ্র বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধেও চাপ বাড়ানোর বার্তা দিচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews