মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মণিপুরে ছড়িয়ে পড়েছে সংঘাত, পাহাড়ে তীব্র হচ্ছে সহিংসতা নিজেকে গড়ে তোলো, তাহলেই গড়ে উঠবে সুন্দর বাংলাদেশ-প্রধানমন্ত্রী জিয়া হল কমপ্লেঙ্ নির্মাণের সম্ভাবতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত পরিবেশ সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহমুক্ত সমাজ গঠনে সভা পাইকগাছা পৌরসভার অন্যতম প্রধান সড়কে ভয়াবহ ধস; দ্রুত সংস্কারের দাবি বাগেরহাটে খাল দখলমুক্তের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের অবস্থান, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বাগেরহাটে আইনজীবী নিজাম উদ্দিন শান্ত হত্যা: প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার ৪ ইউএনও, শিক্ষা কর্মকর্তা ও পাঁচ শিক্ষকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রকারী’ ১০ জনের তালিকা প্রকাশ সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আইসিটিতে অভিযোগ

৩ মাসের মধ্যে রামিসা হত্যার রায় কার্যকর করা সম্ভব-আইনমন্ত্রী

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

 

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ফাইল ছবি

ডেস্ক

সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ যদি অগ্রাধিকার দেয়, তবে আগামী ৩ মাসের মধ্যেই শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় কার্যকর করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রোববার ওই মামলার দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ আসার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই কথা জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ প্রাধান্য দিলে ৩ মাসের মধ্যে রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার রায় কার্যকর করা সম্ভব। রামিসার মতো এমন একটি বেদনাদায়ক ও নৃশংস ঘটনার দ্রুত বিচার করতে সক্ষম হওয়াটাই এই মামলার সবচেয়ে বড় সার্থকতা।

তিনি বলেন, আইনি সব প্রক্রিয়া নিখুঁতভাবে মেনে মাত্র ৬ কার্যদিবসের মধ্যে এই ঐতিহাসিক বিচার শেষ করতে পেরেছি। আসামিপক্ষের জন্য রাষ্ট্র থেকে আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছিল, যেন কোনোভাবেই এই বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ না হয়।

পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে আইনমন্ত্রী জানান, আগামী ৭ দিনের মধ্যে মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্ট ডিভিশনে চলে যাবে। এরপর দ্রুততম সময়ে পেপারবুক তৈরি করতে হয় এবং তারপর হাইকোর্ট চূড়ান্ত শুনানির সময় নির্ধারণ করে।

আসাদুজ্জামান বলেন, শিশু রামিসার এই নিষ্ঠুর ঘটনাটি নিয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও কথা হয়েছে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব উচ্চ আদালতে এই মামলা নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করব। সাধারণত এ ধরনের জঘন্য অপরাধের রায় দ্রুত কার্যকর না হওয়াটাই অপরাধীদের সাহস বাড়িয়ে দেয় এবং সমাজে এসব ঘটনা বাড়ার অন্যতম প্রধান কারণ।

প্রধান আসামি সোহেল রানা প্রসঙ্গে মন্ত্রী মন্তব্য করেন, সোহেল রানা অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রকৃতির অপরাধী। সে মামলার মোড় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে এবং নিজেকে বাঁচাতে অন্য এক নির্দোষ ব্যক্তিকে এই ঘটনায় জড়ানোর অপচেষ্টা করেছিল।

রোববার সকালে বহুল আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার সহযোগী স্ত্রী স্বপ্না আক্তার, উভয়কেই মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে দুই আসামিকে ফাঁসির পাশাপাশি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ সকালে কারাগার থেকে আসামিদের কঠোর নিরাপত্তায় প্রিজন ভ্যানে করে আদালতে আনা হয় এবং তাদের কাঠগড়ায় উপস্থিত রেখেই এই রায় পড়ে শোনান বিচারক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews