রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
এমবাপ্পের সামনে এখন শুধুই মেসি বাংলাদেশ ও চীন অর্থনৈতিক করিডোর বিবেচনায় রয়েছে-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মালয়েশিয়া-চীন সফরের সাফল্য দেশের মানুষের অর্জন-সংসদে প্রধানমন্ত্রী মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ২১ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী পাইকগাছায় মৎস্যচাষিদের মাঝে মাছ চাষের উপকরণ ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি প্রজ্ঞা অর্জন করতে হবে -পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী পরিবেশ সুরক্ষায় পাইকগাছায় চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সুন্দরবনে বন্দুকযুদ্ধে দুলাভাই বাহিনীর প্রধানসহ আটক ২ নিহত ১ জনগণের ভোগান্তি কমাতে মোংলা নদীতে ২৪ ঘন্টা ফেরি চলাচল শুরু বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশে যেসব দলের লাইন-আপ চূড়ান্ত

মিয়ানমারের সংঘাত যেন বাংলাদেশের জনগণ ও সম্পদকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: কক্সবাজার সীমান্তে দেশের জনগণ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনা জাতিসংঘে তুলেছে বাংলাদেশ। ঢাকা বলেছে, মিয়ানমারের যেকোনো সংঘাত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এটি যেন বাংলাদেশের জনগণ ও সম্পদকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।

জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ৫৬তম অধিবেশনে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর অনুষ্ঠিত সংলাপে বিষয়টি অবহিত করা হয়।

সংলাপে ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ সাত বছর ধরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান।
জেনেভায় বাংলাদেশে স্থায়ী মিশনের ভারপ্রাপ্ত স্থায়ী প্রতিনিধি সঞ্চিতা হক সংলাপে বাংলাদেশের পক্ষে অংশ নেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। এ বিষয়ে তিনি রাখাইনে রোহিঙ্গাদের আত্তীকরণের জন্য তাদের জীবিকার ব্যবস্থা উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি মিয়ানমারে যুদ্ধরত সব পক্ষকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দেওয়া এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তার আহ্বান জানান।

সংলাপের শুরুতে মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক কাউন্সিলে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর একটি প্রতিবেদন পেশ করেন। তিনি সাম্প্রতিক সহিংসতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ এবং রাখাইনে ঘৃণ্য যুদ্ধ-কৌশল নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের এ অধিবেশন ১৮ জুন শুরু হয়েছে এবং আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews