শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হাসপাতালটি এলাকার জনসাধারণের জন্য আশীর্বাদ -মন্ত্রিপরিষদ সচিব স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে ইরানের স্পিকারের সাক্ষাৎ, খামেনি হত্যার নিন্দা খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নিচ্ছেন যেসব বিশ্বনেতা আলী খামেনির কফিনের সাথে থাকা ছোট কফিনটি কার বস্তুনিষ্ঠতাই গণমাধ্যমের একমাত্র মানদণ্ড-তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে বহনকারী ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, জরুরি অবতরণ পাইকগাছায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে ইউপি সদস্য ও উপকারভোগীদের সংবাদ সম্মেলন দাকোপে প্রতিপক্ষের মারপিটে ১ জন হাসপাতালে পতেঙ্গায় কোস্টগার্ডের অভিযানে ৬০০ বস্তা সিমেন্টসহ পাঁচ পাচারকারী আটক

চিতলমারীতে বিশ্বাস ও শেখ বংশের সংঘর্ষ অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরে ক্ষতিগ্রস্থ ৪০ পরিবারকে খাদ্য সহয়তা প্রদান

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চিংগড়ী ও মচন্দপুর গ্রামের দুই বংশের সংঘর্ষ, ভাংচুর, বসতবাড়ি লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৪০ পরিবারকে খাদ্য সহয়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার (২৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় চিংগড়ী এলাকায় পৌছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ক্ষতিগ্রস্থদের হাতে এ খাদ্য সহয়তা তুলে দেন।

এদিকে ঘটনার তৃতীয় দিনে, বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মশিউর রহমান খানসহ উপজেলা জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ পৃথক ভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। হত্যা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় শেখ বংশের মোঃ মিরন শেখ বাদী হয়ে ২৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৪০-৫০ জনকে আসামী দিয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। এর আগে চিতলমারী থানা পুলিশ বাদী হয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দেশী অস্ত্র নিয়ে মহড়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করে। মামলায় বিশ্বাস বংশের দুইজনকে গ্রেপ্তার ও রাম দা, টেটা, কাস্তেসহ বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

জানাযায়, মধুমতির নদীর চরের জমি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন চিংগড়ী ও মচন্দপুর গ্রামের বিশ্বাস ও শেখ বংশের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরে বৃহস্পতিবার বিকেলে আরিফ শেখ নামের এক যুবককে ফুলকুচি (লোহার সিকের তৈরি এক ধরণের মাছধরা অস্ত্র) দিয়ে আঘাত করে বিশ্বাস বংশের লোকেরা। পরে শেখ পরিবার ও বিশ্বাস পরিবারের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে বিশ্বাস বংশের লোকেরা শেখ পরিবারের বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে অন্তত ৪০টি বাড়িঘর ধ্বংসস্তপে পরিনত হয়। আর শেখ বংশের সদস্য রাজিব শেখ নিহত হয়। ঘটনার তিন দিন পরও এলাকাজুড়ে আতঙ্ক-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। পুরুষ শূন্য দুই বংশের বেশিরভাগ পরিবার। এখনও খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর নারী-শিশুসহ বয়স্করা।

চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, রবিবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত ৪০টি পরিবারের সদস্যদের শুকনো খাবার দেওয়ার হয়েছে। আর যাদের বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারা আবেদন করলে টিনসহ অন্যান্য সহায়তা প্রদান করা হবে।

চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, হত্যা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় শেখ বংশের মোঃ মিরন শেখ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার আসামীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews