
ডেস্ক:: রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে অংশ নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় অনুষ্ঠিত এই প্রধান জামাতে তাঁরা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন।
এই ঈদ জামাতে আরও অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখানে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ ও দেশ-জাতির কল্যাণ কামনায় তাঁরা সবাই দুই হাত তুলে মোনাজাতে অংশ নেন।
ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে জাতীয় ঈদগাহে প্রবেশ করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রবেশের সময় আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে সবার দেহ তল্লাশি করা হয়। পুরো ঈদগাহ ময়দান ও এর আশপাশের এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখা হয়েছে।
জাতীয় ঈদগাহে প্রবেশের প্রধান তিনটি পয়েন্ট—মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও শিক্ষা ভবন এলাকায় বিশেষ রোড ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে, যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ময়দানের চারপাশে পুলিশের কঠোর টহল ও অবস্থান ছিল। নামাজের নির্দিষ্ট সময়ের আগেই জাতীয় ঈদগাহ মুসল্লিতে পরিপূর্ণ হয়ে যায়, যার ফলে মূল ময়দানে জায়গা না পেয়ে অনেককে বাইরের রাস্তায় নামাজ আদায় করতে দেখা যায়।
ডিএসসিসির ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহে এবার একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের সুব্যবস্থা ছিল। মুসল্লিদের সহজে যাতায়াতের জন্য প্রবেশপথে চারটি এবং বের হওয়ার জন্য সাতটি পৃথক পথ রাখা হয়। পুরো মাঠে ১২১টি কাতার প্রস্তুত করা হয়েছিল এবং একসঙ্গে ১৪০ জনের ওজু করার বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে ঈদগাহে ছয় স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহসহ রাজধানী ঢাকার প্রায় এক হাজার ঈদ জামাতকে ঘিরে প্রায় ১ হাজার ৫০০ পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছেন।
Leave a Reply