শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পরিবেশরক্ষায়সকলের বৃক্ষরোপণকরাঅপরিহার্য-পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী খুলনা মহানগরীতে বৃষ্টির পানি নিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিতকরণ ও অপসারণে সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় সিভিল সার্জনের পরিদর্শন; পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মানে গুরুত্বারোপ বেনাপোলে চোরাচালানী অভিযানে সাড়ে ১০ লাখ টাকার পন্য আটক পাইকগাছায় নতুন কুঁড়ি ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা, ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটে বৃক্ষ রোপন অভিযান ও মেলার উদ্বোধন জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে কোস্টগার্ড ভূমিসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সততা ও নিষ্ঠার বিকল্প নেই: বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক পাইকগাছায় অসুস্থ ও অসহায় বৃদ্ধের পাশে ইউএনও; চিকিৎসা সহায়তা প্রদান টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ

খুলনা মহানগরীতে বৃষ্টির পানি নিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিতকরণ ও অপসারণে সভা অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি:: খুলনা মহানগরীতে বৃষ্টির পানি নিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিতকরণ ও অপসারণে এক জরুরি সভা শনিবার সকালে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কেসিসি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতে জলাবদ্ধতার কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ায় কেসিসি’র পক্ষ থেকে নগরবাসীর নিকট দু:খ প্রকাশ করা হয়।
উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের ভারী বৃষ্টিপাতে দেশের অন্যান্য শহরের ন্যায় খুলনা মহানগরীর কয়েকটি স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। নগরীর ৬টি এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ভবিষ্যতে করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে জরুরি এ সভা আহবান করা হয়।
সভায় কেসিসি প্রশাসক বলেন, বৃষ্টি হলেই নগরীর কয়েকটি এলাকা নিমজ্জিত হচ্ছে যা কেসিসি’র জন্য বিব্রতকর। এ জন্য নতুনভাবে কিছু কাজ করা প্রয়োজন। শুক্রবার জলাবদ্ধ ৬টি এলাকা সরেজমিন পরিদর্শনের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রশাসক বলেন, অন্যান্য এলাকার পানি দ্রুত সময়ের মধ্যে নেমে গেলেও মুজগুন্নী এলাকার পানি নিস্কাশন হচ্ছে না। ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় সেজন্য করণীয় নির্ধারণে তিনি বিশেষজ্ঞ ও নাগরিকদের মতামত গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্টদের আরো সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।
সভায় কেসিসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো: মাসুদ করিম-এর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে একটি কমিটি গঠনের পাশাপাশি মুজগুন্নী, লবনচরা ও রয়্যাল মোড়কে কেন্দ্র করে ৩টি উপকমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া ওয়ার্ড পর্যায়েও মটিটরিং কমিটি গঠনপূর্বক পানি নিষ্কাশনের প্রতিবন্ধকতাসমূহ চিহ্নিত করে মূল কমিটির নিকট রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেয়া হয়। প্রাপ্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে পূর্ত বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া সভায় যথাসময়ে স্লুইচগেট বন্ধ ও খোলা, ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের প্রতিবন্ধকতাসমূহ চিহ্নিত করে অপসারণে ব্যবস্থা গ্রহণ, বঙ্ কালভার্টগুলি জেট মেশিনের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নকরণসহ এঙ্েেভটর ও ট্রাকসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।
সভায় জানানো হয় ‘‘জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হলে নগরীর মোট ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের ২৫% সম্পন্ন হবে। ভবিষ্যত পরিকল্পনার মধ্যে তিনটি পাম্প হাউজ নির্মাণ, ড্রেন পরিষ্কারের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয়, জোয়ারের পানি প্রবেশ বন্ধে বৈদ্যুতিক স্লুইচ গেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।
সভায় প্রশাসক চলমান ড্রেনেজ প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিরূপণ এবং প্রকল্প সমাপ্ত হওয়ার পর কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে তা নির্ধারণ এবং ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে নতুন প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ দেন। এছাড়া তিনি ড্রেন ও খালের ওপর থেকে অবৈধ দখলদারদের সরে যাওয়া এবং ড্রেনে বর্জ্য না ফেলার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান।
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, বাজেট কাম একাউন্টস অফিসার মো: মনিরুজ্জামান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো: মাসুদ করিম, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার মো: অহিদুজ্জামান খানসহ ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews