
ডেস্ক:: নতুন বছরে কাজের ব্যস্ততার মাঝেও চাকরিজীবীদের জন্য অপেক্ষা করছে স্বস্তির খবর। ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, সামান্য কিছু ছুটি সমন্বয় করলেই বছরজুড়ে বেশ কয়েকবার টানা দীর্ঘ অবকাশ কাটানোর সুযোগ পাবেন সরকারি-বেসরকারি কর্মজীবীরা।
অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদিত তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মোট সরকারি ছুটি ২৮ দিন। তবে এর মধ্যে ৯ দিন সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্রবার ও শনিবার) পড়ায় কার্যকর ছুটির সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১৯ দিন। তবে কৌশলী পরিকল্পনা থাকলে এই ১৯ দিনকেও বড় ছুটিতে রূপান্তর করা সম্ভব।
ফেব্রুয়ারি: ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) শবেবরাতের ছুটির সাথে ৫ ফেব্রুয়ারি একদিনের ঐচ্ছিক ছুটি নিলে সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা ৪ দিনের ছুটি পাওয়া যাবে।
মার্চ: চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের সাধারণ ছুটি এবং নির্বাহী আদেশের ছুটি মিলিয়ে ৫ দিনের অবকাশ মিলছে। এর সাথে ১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটি থাকায় মাঝখানে ১৮ মার্চ একদিন ছুটি নিলেই টানা ৭ দিন ভ্রমণের সুযোগ তৈরি হবে। এছাড়া ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) স্বাধীনতা দিবসের সাথে একদিন যোগ করলে ৪ দিনের ছুটি পাওয়া যাবে।
এপ্রিল: ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের আগে ১০ ও ১১ তারিখের সাপ্তাহিক ছুটির মাঝে ১২ ও ১৩ তারিখ ছুটি নিলে টানা ৫ দিনের বিরতি মিলবে।
মে: ২৮ মে ঈদুল আজহার মূল ছুটি। এর আগে-পিছে নির্বাহী আদেশের ছুটি মিলিয়ে টানা ১০ দিনের অবকাশ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে যদি ২৪ ও ২৫ মে ছুটি নেওয়া যায়।
আগস্ট: ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ বুধবার। ৬ তারিখ ছুটি নিলে শুক্র-শনিবার মিলিয়ে ৪ দিন এবং ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবির সাথে একদিন মিলিয়ে ফের ৪ দিনের ছুটি সম্ভব।
অক্টোবর: ২০ ও ২১ অক্টোবর (নবমী ও বিজয়া দশমী) ছুটির সাথে ২২ অক্টোবর একদিন ছুটি নিলেই টানা ৫ দিনের অবকাশ পাওয়া যাবে।
ডিসেম্বর: ১৬ ডিসেম্বর (বিজয় দিবস) মঙ্গলবার। ১৭ ডিসেম্বর একদিন ছুটি নিলে ১৮ ও ১৯ তারিখের সাপ্তাহিক ছুটিসহ মোট ৪ দিনের ছুটি মিলবে।
উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদিত এই তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মুসলিমদের জন্য ৫ দিন, হিন্দুদের জন্য ৯ দিন, খ্রিস্টানদের জন্য ৮ দিন এবং বৌদ্ধদের জন্য ৭ দিন ধর্মীয় ছুটি রয়েছে। এছাড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য থাকছে ২ দিনের বিশেষ ঐচ্ছিক ছুটি। পরিকল্পিতভাবে এই ছুটিগুলো ব্যবহার করলে কর্মজীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে সতেজ হওয়ার চমৎকার সুযোগ পাবেন চাকরিজীবীরা।
Leave a Reply