শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
হাসপাতালটি এলাকার জনসাধারণের জন্য আশীর্বাদ -মন্ত্রিপরিষদ সচিব স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে ইরানের স্পিকারের সাক্ষাৎ, খামেনি হত্যার নিন্দা খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নিচ্ছেন যেসব বিশ্বনেতা আলী খামেনির কফিনের সাথে থাকা ছোট কফিনটি কার বস্তুনিষ্ঠতাই গণমাধ্যমের একমাত্র মানদণ্ড-তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে বহনকারী ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, জরুরি অবতরণ পাইকগাছায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে ইউপি সদস্য ও উপকারভোগীদের সংবাদ সম্মেলন দাকোপে প্রতিপক্ষের মারপিটে ১ জন হাসপাতালে পতেঙ্গায় কোস্টগার্ডের অভিযানে ৬০০ বস্তা সিমেন্টসহ পাঁচ পাচারকারী আটক

সুন্দরবনের দস্যুদের বিরুদ্ধে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন, মোংলা:: উপকূলরক্ষী বাহিনী কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করা দস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে যৌথবাহিনী।

যৌথবাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে ২ মার্চ সোমবার দুপুরে সুন্দরবনের হারবারিয়া, আন্ধারমানিক ও তাম্বুলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালায় নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, র‍্যাব ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে গঠিত যৌথবাহিনী। অভিযানে গিয়ে সুন্দরবনের তাম্বুলবুনিয়া এলাকার গহীন জঙ্গলে দস্যুবাহিনীর আস্তানা সনাক্ত করে যৌথবাহিনী।

২৫ ফেব্রুয়ারী থেকে সুন্দরবনে দস্যুদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকায় বনের অভ্যন্তরে বনদস্যুদের আনাগোনা কমে গেছে। তবে সুন্দরবন থেকে তাদের পুরোপুরি নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া উইং।

কোস্টগার্ড কর্মকর্তারলেফটেন্যান্ট মোল্লা মাহমুদ আল-হোসাইন জানান, বর্তমানে সুন্দরবনে দস্যু দমনে ব্যাপক ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে জলদস্যুদের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করছে যৌথ বাহিনী।

সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী ও খালাঞ্চলে মোবাইল টহল জোরদার করা হয়েছে। র‍্যাব, পুলিশের সহায়তায় নিয়মিত নৌ টহল পরিচালনার পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকায় স্থল টহলও বৃদ্ধি করা হয়েছে। দস্যুদের সম্ভাব্য অবস্থান ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় জেলে ও বনজীবীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে, যাতে তারা যেকোনো সন্দেহজনক তথ্য দ্রুত কোস্টগার্ডকে জানাতে পারেন। জনসাধারণের সহায়তায় ১৬১১১ হটলাইনে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews