শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ভেনেজুয়েলায় পরপর ৭ মাত্রার দুটি বিধ্বংসী ভূমিকম্প, ১ লাখের বেশি প্রাণহানির শঙ্কা! আশুরার শিক্ষা অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায়-রাষ্ট্রপতি ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই বটিয়াঘাটায় অজ্ঞান মহিলার লাশ উদ্ধার নয়টি বোর্ডে একক ও অভিন্ন প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা-খুলনায় শিক্ষামন্ত্রী পাইকগাছায় ওয়াশ প্রকল্পের স্বেচ্ছাসেবীদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত মোংলায় ৩ কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ​ শার্শা শালকোনা সীমান্তে দায়িত্বরত অবস্থায় বজ্রপাতে দুইজন বিজিবি সদস্য আহত টেকনাফ থেকে ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারি আটক বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে পাইকগাছায় ২২ শিক্ষার্থীকে ৩০ হাজার টাকার চেক প্রদান

২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হলো বাংলাদেশ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৪০ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক:: যা শঙ্কা ছিল, তাই সত্যি হলো। আড়াই দিনেরও বেশি সময় ভেসে যাওয়ার পরও বাংলাদেশ টেস্টটা হেরেই বসল ভারতের কাছে। কানপুর টেস্টে ৭ উইকেটে হারের ফলে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হলো বাংলাদেশ।

শেষ দিনে বাংলাদেশের সামনে সুযোগ ছিল টেস্টটা ড্র করার। হাতে ছিল ৮ উইকেট, ৯৮ ওভার ছিল সামনে। তার দুই তৃতীয়াংশের বেশি যদি খেলে ফেলতে পারত বাংলাদেশ, তাহলেই ড্র করার মতো রসদ চলে আসত দলের হাতে।

কিন্তু বাজে শট সিলেকশনের পুরোনো রোগ বয়ে ফিরলে কি তা আর হয়? হয়নি। দিনের শুরুতে মুমিনুল হকের বিদায়টা নাহয় মানা যায়। রবীন্দ্র জাদেজা আর রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে সুইপ করে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন, সেই সুইপ খেলতে গিয়েই বিদায় নেন তিনি।

ক্রমেই নির্ভরতা জাগাতে থাকা সাদমান ইসলাম আর নাজমুল হোসেন শান্তর আত্মাহুতি দিলেন রীতিমতো। শুরুটা করেন শান্ত। ইনিংসে প্রথম বারের মতো আক্রমণে আসা জাদেজাকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি। ৫৫ রানের জুটিটা ভেঙে যায় তাতে।

সে জুটি ভাঙার পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পরে বাংলাদেশের ইনিংসও। তার মূলেও ওই শট সিলেকশনই। সাদমান ফিফটির পর অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে ক্যাচ দিলেন গালিতে। লিটন উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিলেন কাট করতে গিয়ে। সাকিব ফিরতি ক্যাচ দিলেন জাদেজাকে। ৩ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট খুইয়ে বাংলাদেশ কোণঠাসা হয়ে পড়ে একেবারে।

এরপর মেহেদি হাসান মিরাজও খুব বেশিক্ষণ টেকেননি। দেয়াল তুলে দাঁড়াতে পারেননি তাইজুল ইসলামও। ৯ উইকেট চলে যাওয়ার ফলে মধ্যাহ্ন বিরতি আরও ৩০ মিনিট পিছিয়ে দেওয়া হয়।

মুশফিকুর রহিম একাই চেষ্টা করেছিলেন বাংলাদেশের ইনিংসটাকে দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার। তবে তার চেষ্টা আলোর মুখ দেখেনি। বিরতির আগে শেষ বলে তিনি জাসপ্রিত বুমরাহর বলে বোল্ড হন। তাতে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ১৪৬ রান তুলে।

পুঁজিটা ছিল মোটে ৯৪ রানের। তবে এরপরও বাংলাদেশ রণে ভঙ্গ দেয়নি। অধিনায়ক শান্ত স্রেফ স্পিনারদেরই ব্যবহার করেছেন শেষ ইনিংসে। তার ফলও পেয়েছেন মিরাজরা। তৃতীয় ওভারে রোহিত শর্মাকে আউট করে মিরাজই প্রথম ব্রেক থ্রুটা এনে দেন দলকে। তিনে আসা শুভমান গিলকে পঞ্চম ওভারে সাজঘরে ফেরালেন তিনিই।

তবে এরপর যশস্বী জয়সওয়াল আর বিরাট কোহলির ৫৮ রানের জুটি ম্যাচের সব অনিশ্চয়তা দূর করে দেয়। জয় থেকে ৩ রান দূরে দাঁড়িয়ে জসওয়াল বিদায় নেন ৫১ রান করে। তাতে ভারতের জয়টা থামানো যায়নি। ঋষভ পান্ত এসে চার মেরে দলের জয় তুলে নেন। ভারত ৭ উইকেটে জেতে ম্যাচটা, আর বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশ হয় ২-০ ব্যবধানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৩৩/১০
ভারত ১ম ইনিংস: ২৮৫/৯ ডিক্লে.
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ১৪৬/১০
ভারত ২য় ইনিংস:

(লক্ষ‍্য ৯৫) ১৭.২ ওভারে ৯৮/৩ (রোহিত ৮, জয়সওয়াল ৫১, গিল ৬, কোহলি ২৯*, পান্ত ৪*; মিরাজ ৯-০-৪৪-২, সাকিব ৩-০-১৮-০, তাইজুল ৫.২-০-৩৬-১)

ফল: ভারত ৭ উইকেটে জয়ী

সিরিজ: ভারত ২ টেস্টের সিরিজ ২-০তে জয়ী

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews