
বেনাপোল প্রতিনিধি:: যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দরে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা বিপুল পরিমাণ ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। আটককৃত পণ্যের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে বেনাপোল বন্দরের ৩৭ শেডের ভারতীয় WB-15,B-8593 নম্বরের একটি ট্রাকের পন্য চালানটি পরীক্ষনকালে বেকিং পাউডারের চালানে বিপুল-পরিমাণ এ গার্মেন্টস সামগ্রী ও কসমেটিক্স পন্য আটক করা হয়েছে। পন্যচালানটি বাংলাদেশি ঢাকা মেট্রো – ট, ১৪-৯২৪৭ নম্বরের একটি লোড দেওয়ার জন্য গেট পাশ করা ছিল। এই শেডের দায়িত্ব প্রাপ্ত ইনচার্জ ছিলেন আরিফুল ইসলাম ও নুর আহম্মেদ।
জানা যায়, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সাফা ইমপেক্স ভারতের একটি ট্রাকে বেকিং পাউডার ঘোষণা দিয়ে গত ১২ মার্চ রাত ৭টার দিকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি করে। চালানটির সিএন্ডএফ এজেন্ট ছিল বেনাপোলের হুদা ইন্টারন্যাশনাল।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষ চালানটি পরীক্ষা করে ১০৮টি প্যাকেজে ঘোষণা বহির্ভূত বিভিন্ন পণ্য উদ্ধার করে। এর মধ্যে রয়েছে ৬,৫৩০ পিস শাড়ি, ৫৮৮ পিস থ্রি-পিস, ৩০০ পিস টু-পিস, ৫২০ পিস ওড়না, ২৬০ কেজি বেবি ওয়্যার, ৫০৯ কেজি ফেইস ওয়াশ, ৬৫ কেজি বডি লোশন, ৬০ কেজি জর্দা তৈরির কেমিক্যাল ও বিভিন্ন প্রকার প্রসাধনী ২২৩ কেজি। কাগজপত্রে ১৩০ বস্তা বেকিং পাউডার উল্লেখ থাকলেও সেখানে পাওয়া গেছে ১০৮ বস্তা। অনেকে ধারনা করছে বাকি ২২ বস্তাতেও দামি কোন পন্য ছিল যা গোগনে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
বেনাপোল কাস্টমসের সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন জানান, বেকিং পাউডার ঘোষণা দিয়ে উন্নতমানের শাড়ি-থ্রি-পিস ও কসমেটিক্স সামগ্রী আনা হয়েছে। শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এসব পণ্য আমদানি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় আমদানিকারক সাফা ইমপেক্স ও সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ মেসার্স হুদা ইন্টারন্যাশনালের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জরিমানা আদায়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
Leave a Reply