1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণে গোলটেবিল বৈঠক মোংলা বন্দরে ৯ মাসে এক কোটি ৫ লাখ টন পণ্য আমদানি-রপ্তানি সুন্দরবনের দস্যুদের দমনে ফের যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে ড্রেজার ও বাল্কহেডসহ আটক ২০ বেনাপোল স্থলবন্দরের ক্রেনের তার ছিড়ে একজন শ্রমিক নিহত, একজন আহত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করল ইরান প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারি দলের সংসদীয় সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদে আজ ১৪ বিল পাশ বিজ্ঞান চর্চায় নতুন উদ্দীপনা: পাইকগাছায় জাতীয় বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন টেকনাফে ২৩ হাজার পিস ইয়াবা পিস জব্দ করেছে কোস্টগার্ড

মোংলা বন্দরে ৯ মাসে এক কোটি ৫ লাখ টন পণ্য আমদানি-রপ্তানি

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন,মোংলা:: ইরান-ইসরাইল ও আমেরিকার মধ্যে দীর্ঘ একমাসেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকা যুদ্ধের কারনে বিশ্বব্যাপী মন্দাভাব চললেও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোংলা সমুদ্র বন্দরের আমদানি রপ্তানিতে কোনো প্রভাব পড়েনি।

আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, পলি অপসারণ এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনার ফলে এই বন্দরে বিদেশি জাহাজের আগমন ও পণ্য খালাসের হার বর্তমানে সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। আশানুরূপ পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়েছে মোংলা বন্দর দিয়ে।

বন্দরের হারবার বিভাগ জানায়, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক বন্দরে যখন মন্দাভাব দেখা দিয়েছে, তখন মোংলা বন্দর তার কৌশলগত অবস্থান ও আধুনিক অবকাঠামো ব্যবহার করে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রেখেছে।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, ডলার সংকট বা জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ক্লিংকার, সার, কয়লা, পাথর, গম, চাল ও হিমায়িত পণ্য ছাড়াও রপ্তানিযোগ্য তৈরি পোশাক খাতে মোংলা বন্দর আগের চেয়ে বেশি সক্রিয়। চলতি অর্থ বছরের ৯ মাসে ৬৭৯টি জাহাজ এবং এক কোটি ৫ লাখ মেট্রিক টন পণ্য খালাস করা হয়েছে।

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর ঢাকা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে মোংলা বন্দরের দূরত্ব কমে আসায় ব্যবসায়ীরা এখন এই বন্দর ব্যবহারে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। বিশেষ করে গার্মেন্টস পণ্য রফতানিতে মোংলা বন্দর এখন বড় ভূমিকা পালন করছে। এ ছাড়া ভারত, নেপাল ও ভুটানের ট্রানজিট সুবিধাও এই বন্দরের গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, আউটার বার শেষ হওয়ার পর ইনার বার ড্রেজিংয়ের ফলে এখন বড় ড্রাফটের জাহাজগুলো সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারছে। বন্দরে কন্টেইনার ইয়ার্ড সম্প্রসারণ ও আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন করার ফলে পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের সময় কমে এসেছে। জ্বালানি সংকটের এই সময়েও নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ তদারকি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক মো. মাকরুজ্জামান জানান, বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেও মোংলা বন্দর তার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। জ্বালানি সংকটকে আমরা সুযোগ হিসেবে নিয়েছি এবং বিকল্প উপায়ে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম সচল রেখেছি। আমাদের লক্ষ্য এই বন্দরকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক হাবে রূপান্তর করা।

মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী ও ব্যবসায়ী নেতারা জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর চাপ কমাতে মোংলা বন্দর এখন আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমদানিকৃত গাড়ি খালাস ও দ্রুত ডেলিভারির ক্ষেত্রে মোংলা বন্দর এখন সারা দেশের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট