
দাকোপ(খুলনা)প্রতিনিধি:: খুলনার দাকোপে আলোচীত মৎস্য ঘেরে হামলা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রশাসনের নিকট স্বারকলিপি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ভুক্তভোগী দাকোপবাসীর ব্যানারে শতশত নারী পুরুষের অংশ গ্রহনে কর্মসূচী পালিত হয়।
দাকোপ উপজেলার খোনা গ্রামে বেড়ীবাঁধের বাইরে থাকা মৎস্য ঘেরে প্রতিপক্ষের হামলার ঘটনায় পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার আসামী গ্রেফতার অভিযানে গেলে র্যাবের কাজে বাধা দেওয়া হয়। যে ঘটনায় র্যাব বাদী হয়ে সরকারী কাজে বাঁধা আসামী ছিনতাই ও গাড়ী ভাংচুরের অভিযোগে পৃথক আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।ওই সকল মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে এবং ইউপি চেয়ারম্যান শেখ সাব্বির আহমেদ ও ব্যবসায়ী রাশেদ কামালের নামে অপপ্রচার এবং কটুক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ভূক্তভোগী দাকোপবাসীর ব্যানারে চালনা বৌমার গাছতলা হতে বিক্ষোভ মিছিল চালনা ডাকবাংলার মোড়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তৃতা করেন পানখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ সাব্বির আহমেদ, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য শেখ শাকিল আহমেদ দিলু এবং পানখালী ইউপি সদস্য ও দাকোপ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শেখ মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তক। সমাবেশ শেষে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং দাকোপ থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর এলাকাবাসীর গনস্বাক্ষরকৃত স্বারকলিপি প্রদান করা হয়। স্বারকলিপিতে দাবী করা হয় ৩৩ বিঘার ওই ঘেরটি দীর্ঘদিন বৈধভাবে আকরাম ফকির গংরা ভোগদখল করে আসছে। গত সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময় থেকে স্থানীয় বাচ্চু ফকির, মুকুন্দ মন্ডল, রসুল গাজী, আলামিন শেখ, আব্দুল্লাহ শেখের নেতৃত্বে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। দাবীকৃত চাঁদা না দেওয়ায় গত ১৬ মে থেকে তারা ধারাবাহিক ৫ বার ঘেরে হামলা ভাংচুর এবং ২ লক্ষাধীক টাকার মাছ লুট করে। যে ঘটনায় পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করলেও স্থানীয় প্রশাসন আসামীদের গ্রেফতার করছেনা। একই দাবীতে তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য, খুলনা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের বিভিন্নস্থরে স্বারকলিপি দেওয়া হবে জানিয়েছেন।
Leave a Reply