
দাকোপ(খুলনা)প্রতিনিধি:: খুলনার দাকোপে ৯ দিন বয়সি শিশু কন্যাকে অপহরন করা হয়। দাকোপ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপহরনকারীকে গ্রেফতারসহ শিশুটি উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় দাকোপ থানায় অপহরন মামলা দায়ের হয়েছে।
থানায় দায়েরকৃত মামলার এজাহার এবং এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, দাকোপের নলিয়ান ৬ নং ওয়ার্ডের রফিকুল সানার ৯ দিন বয়সি কন্যা শিশুকে গত ৩০ জুন রাত ৯ টার দিকে অপহরন করা হয়। আসামী উপজেলার বাজুয়া খ্রিষ্টানপাড়া এলাকার রাজা মিয়ার কন্যা তানিয়া বেগম (৩০) অপরাপর অজ্ঞাত ২/৩ জনের সহযোগীতায় অপহরন করে বলে জানা গেছে। ঘটনার সময় শিশুটির মা বাড়ীতে ঘুমিয়ে থাকার সুযোগে আসামীরা দুগ্ধ শিশুকে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনার পর প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে দাকোপ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ খায়রুল বাশার, এস আই ঝন্টু কুমার বসাক এ এস আই নাজমুলসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে বাজুয়া এলাকা হতে তানিয়াকে গ্রেফতার করে শিশুটি উদ্ধার করে। ধৃত আসামীর স্বীকারোক্তিতে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অপহ্নত শিশুটির আপন চাচা এস এম গোলাম রব্বানীকেও গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির পিতা রফিকুল সানা বাদী হয়ে তানিয়াসহ অজ্ঞাত আরো ২/৩ জনকে আসামী করে দাকোপ থানায় ৭/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ ধারায় অপহরন মামলা দায়ের করেছে। যা দাকোপ থানার মামলা নং ০২ তাং ০১/০৭/২০২৬।

এজাহারে বাদী উল্লেখ করে আসামী তানিয়া নলিয়ান গ্রামের আতিয়ার রহমান টিটুর স্ত্রী তহমিনা বেগমকে ধর্ম মা ডেকে তার বাড়ীতে আসা যাওয়া করত। সেই সুবাদে একই গ্রামের দূর্লভ সরদারের পুত্র রশিদকে সাথে নিয়ে এসে সদ্য ভূমিষ্ট কন্যা শিশুটিকে টাকার বিনিময়ে নেওয়ার প্রস্তাব দেয়। শিশুটির পিতা ওই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে তারা পরিকল্পিত ভাবে ৩০ জুন রাতে শিশুটিকে অপহরন করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দাকোপ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ খায়রুল বাশার বলেন, প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালিয়ে আসামী গ্রেফতার ও শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তিনি বলেন গ্রেফতারকৃত আসামী তানিয়া প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দাবী করেছে শিশুটির আপন চাচা এস এম গোলাম রব্বানীর সহায়তায় সে এই কাজটি করেছে। যে কারনে আমরা তাকেও গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করেছি।