
নিজস্ব প্রতিনিধি:: খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু মঙ্গলবার সকালে মহানগরীর সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ১৮নং ওয়ার্ডের মাহাতাব উদ্দিন সড়কের শেষ প্রান্তে ময়ূর নদীর ওপর বিদ্যমান ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের ব্রীজটি পরিদর্শন করেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের ব্রীজটির বিষয়ে জনৈক সাংবাদিকের করা একটি প্রতিবেদন দৃষ্টিগোচর হওয়ায় তিনি আজ ব্রীজটি সরেজমিন পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক ব্রীজটিকে ঝুঁকিপুর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, জনসাধারণের চলাচলের ভোগান্তি দূর করতে বর্ণিত স্থানে একটি নতুন ব্রীজ নির্মাণ করা জরুরি। উপস্থিত সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, ময়ূর নদীতে একাধিক ব্রীজ নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে সংস্থাটি দুইটি ব্রীজের নকশা প্রস্তুত করা হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যে এই ব্রীজটি নাই। এই ব্রীজটি নির্মাণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। এলজিইডি অপারগতা প্রকাশ করলে সিটি কর্পোরেশন উদ্যোগী হবে বলে তিনি জানান। এছাড়া ময়ূর নদীতে বিদ্যমান কচুরিপানা দ্রুত পরিচ্ছন্ন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
কেসিসি’র প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো: আনিসুর রহমান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, ১৮নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান মনি, কাজী শফিকুল ইসলাম শফি, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, হুমায়ুন কবীরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু গল্লামারী ব্রীজ সড়কের সম্প্রসারণ কাজসহ বাব এ সালাম আবাসিক এলাকার বিভিন্ন সড়ক, ছবেদ আলী লেন, সোনাডাঙ্গা বাস স্ট্যান্ড, মাহতাব উদ্দিন সড়ক, খালিশপুরস্থ বাস্তুহারা কলোনীর ড্রেনেজ, বর্জ্য ও পানি নিস্কাশস ব্যবস্থাসহ পোর্ট কলোনীর অভ্যন্তরে স্লুইচগেট নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।