
প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে খুলনা মহানগর যুবদলের উদ্যোগে ধারাবাহিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে নগরীর ৮, ১০, ১১, ১৫, ১৭, ১৯, ২৫, ২৬ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম তুহিন। ৩০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী আসানুর রশিদ মিরাজ।
অন্যান্য ওয়ার্ডের কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষ রোপণ করেন খুলনা মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ সুমন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রুবেল। এছাড়াও বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমিন আহমেদ মিঠু, গোলাম জুলকার নাইন ও মহানগর যুবদলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ, যুবদলের নেতাকর্মী, কর্মী-সমর্থক এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন ৩০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক শামসুর রহমান নিশান ও সদস্য সচিব শেখ আরিফ বিল্লাহ রানা; ১৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক মো. বিল্লাল হোসেন ও সদস্য সচিব মো. সুমন মীর; ১৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদ হাসান বাবু ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ রাজিব মুন্সি; ২৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম হিরা ও সদস্য সচিব মো. নাজিম খা; ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক শেখ শহরিয়ার সাদী ও সদস্য সচিব শেখ মাহমুদ হোসেন লিটন; ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ও সদস্য সচিব শামীম হাওলাদার; ১১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক মিরাজুল ইসলাম রাজীব; ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক মো. আসাদুজ্জামান সাগর ও সদস্য সচিব মো. ইউনুচ শিকদার; এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক লিটন হাওলাদার লিটু ও সদস্য সচিব মো. সোহাগ হোসেন।
কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বক্তারা বলেন, জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় যুবদলের নেতাকর্মীরা পরিবেশ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিকভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। বৃক্ষরোপণ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, সুস্থ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার একটি অঙ্গীকার।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।