সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
খুলনায় ছেলেকে না পেয়ে ঘরে ঢুকে মাকে গুলি ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনই এখন সরকারের প্রধান কাজ-প্রধানমন্ত্রী কোস্টগার্ডের অভিযানে আড়াই লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারি আটক টেকসই উন্নয়নের স্বপ্ন পূরনে দাকোপে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়ালী এসডিজি ভিলেজ উদ্বোধন শার্শার লক্ষনপুরে বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও স্কুল কলেজে ফলজ বৃক্ষের চারা প্রদান চার দিন পর গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ১৯ মরদেহ হরমুজ প্রণালি খুলতে জটিল শর্ত ইরানের মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রকল্প ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপি নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ, ইউএনও ও সমাজসেবা কর্মকর্তার অপসারণ দাবি

ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনই এখন সরকারের প্রধান কাজ-প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক:: দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনে বাংলাদেশ ঋণনির্ভর ও আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ নানা ক্ষেত্রের এই ভঙ্গুরতা দূর করে এখন রাষ্ট্র পুনর্গঠনই সরকারের মূল লক্ষ্য।

সোমবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলন-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনের ধারাবাহিকতায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার মূল ভাবনার সঙ্গে জাতিসংঘের এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’ এবং সরকারের ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ নীতির পূর্ণ মিল রয়েছে।

তিনি জানান, জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনাকে এসডিজির সঙ্গে সমন্বয় করে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের ‘সংস্কার ও উন্নয়নের পাঁচ স্তম্ভে’ দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা-স্বাস্থ্য, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা ও সুশাসন প্রাধান্য পাচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ ও এসডিজি অগ্রগতি বজায় রাখতে ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন’ কৌশল নিয়েছে সরকার।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক ও স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে সরাসরি সহায়তা পৌঁছানো হচ্ছে। পাশাপাশি ক্রীড়া কার্ড প্রবর্তন এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ সব ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানি ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে।

এসডিজি স্থানীয়করণের উদ্দেশ্যে পরীক্ষামূলকভাবে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপের পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জের নাফানগর গ্রামকে নির্বাচন করা হয়েছে। এসব স্থানে সমন্বিত উন্নয়নমূলক কাজ সফল হলে পরবর্তীতে সারা দেশে ‘এসডিজি ভিলেজ’ মডেল সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews