
ডেস্ক:: কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে। ধসে পড়া হাজার হাজার ভবনের নিচে অসংখ্য মানুষ আটকে থাকায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার সকালে দেশটির ‘অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যাপিটাল সিটিস’ ১৬৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। পরবর্তীতে ক্যালিতে আরও ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭৫-এ।
এর আগে সোমবার (১০ আগস্ট) ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী এই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। দেশটির চোকো পাহাড়ি অঞ্চল এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজধানী বোগোতাসহ অন্যান্য জনবহুল শহরেও তীব্র কম্পন অনুভূত হয়।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার তথ্যমতে, ভূমিকম্পের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৭০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকর্মীরা ধারণা করছেন, তাঁরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন।
সম্প্রতি শপথ নেওয়া কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলারদো দে লা এসপ্রিল্লা দ্রুততম সময়ে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিভিন্ন দেশ ক্ষতিপূরণ ও উদ্ধারকাজে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
ভূমিকম্পে পশ্চিম কলম্বিয়ার ক্যালি, পেরেইরা, কুইবদো ও মানিজালেসসহ বেশ কয়েকটি শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এমনকি প্রতিবেশী দেশ ইকুয়েডর ও পানামাতেও তীব্র ঝাঁকুনি অনুভূত হয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল বোগোটা থেকে ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমারে, যা ভূপৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে অবস্থিত। মূল ভূমিকম্পের পর অন্তত ২১টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।