1. dailybanglarkhabor2010@gmail.com : দৈনিক বাংলার খবর : দৈনিক বাংলার খবর
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বিশ্বকাপ ফুটবল,শিক্ষার্থীদের খেলা দেখার সুযোগ দিতে শিক্ষাবর্ষ ছোট করছে মেক্সিকো ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার-প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে-প্রধানমন্ত্রী ৬ জনের দেহে হান্টাভাইরাস শনাক্ত, এটি মহামারি নয় বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চিতলমারীর ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা বটিয়াঘাটায় পাগলা কুকুরের আতঙ্ক : একই দিনে ৫ জন সহ গবাদিপশু হাস মুরগী আক্রান্ত বাগেরহাটে বাবা- মেয়ের কৃতিত্ব: জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায় শ্রেষ্ঠ মরহুম বেল্লাল হোসেন স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় লবণ পানি উত্তোলনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

বাগেরহাটে বার্ড ফ্লুতে নিঃস্ব খামারি, মরেছে ৮ হাজার মুরগি, ঋণের চাপে দিশেহারা পরিবার

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

নকীব মিজানুর রহমান, বাগেরহাট থেকে:: খামার জুড়ে মুরগির ঝিমুনি। কিছুক্ষন পর পর মারা যাচ্ছে অতিযত্নে লালন করা ডিম দেওয়া সাদা রংয়ের লেয়ার মুরগি। আর কর্মীরা মরা মুরগি নদীতে ফেলার জন্য বস্তায় ভরছেন । বাগেরহাট সদর উপজেলার চাপাতলা গ্রামের সোহাগ শেখের মুরগীর খামারে মঙ্গলবার বিকেলের দৃশ্য এটি।
প্রায় ২০ বছর ধরে মুরগির খামার করেন সোহাগ। পরিবারসহ ১০-১২ জন কর্মচারীর জীবিকা নির্ভর করছিল এই খামারের ওপর।
কিন্তু গত বছরের ডিসেম্বর থেকে হঠাৎ করে মুরগি মারা শুরু করে। প্রথমে স্বাভাবিক রোগ ভেবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু বার্ডফ্লু রোগে ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রায় ৮ হাজার মুরগি মারা যায়। বর্তমানে মাত্র তিন হাজার ডিমপাড়া মুরগী রয়েছে। তার অবস্থা সংকটাপন্ন । এ অবস্থায় প্রায় অর্ধকোটি টাকার লোকসানে পড়েছে। বর্তমানে ঋনের চাপে দিশেহারা হয়ে পড়েছে খামারী। পুনরায় ঘুরে দাড়াতে সরকারী সহায়তার দাবী খামারী সোহাগ শেখের।
তিনি বলেন, ২০০৬ সালে এক হাজার মুরগী নিয়ে নিজ বাড়িতে সোহাগ এগ্রোফার্ম গড়ে তুলি। এরপর থেকে একের পর এক মুরগি ও খামারের পরিমান বাড়াতে থাকি। ধীরে ধীরে খামারে কর্মচারীর সংথ্যাও বাড়তে থাকে। বর্তমানে খামারে ১০-১২ জন কর্মচারী আছে। সেই সাথে আমার স্ত্রী ও আমি সার্বক্ষনিক কাজ করি খামারে। কিন্তু গেল বছরের ডিসেম্বর থেকে খামারের মুরগি মরতে শুরু করে।
এরপর থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন ঔষধ প্রয়োগ করতে থাকি। কিন্তু কোন কিছুতেই মুরগী মরা বন্ধ হয়নি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার মুরগি মারা গেছে। অনেক মুরগি ডিম দেওয়া অবস্থায় মারা গেছে। বড় বড় মরা মুরগিগুলোকে বস্তা ভরে খামার থেকে ফেলে দিতে খুবই কষ্ট হয়। আর এই মুরগি বিক্রিরও কোন সুযোগ নেই। অসুস্থ্য মুরগি কেউ কেনে না। সব মিলিয়ে তিন মাসে আমার প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
সোহাগ শেখ আরও বলেন, ব্যবসা করলে যেমন বাকিতে পন্য আনতে হয়। তেমনি ঋণও নিতে হয়। এখন মুরগি মরা শুরু হয় সব পাওনাদার এসে চাপ দিচ্ছে। এমনকি কেউ কেউ অতিরিক্ত টাকাও দাবি করছে। এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে পাওনাদারদের চাপে আমার আত্মহত্যা করা ছাড়া কোন উপায় নেই। আর কর্মচারীরাও ছেড়ে যাচ্ছে। দুই মাস বেতন দিতে পারি না।
এদিকে বাগেরহাট সদর উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা পলাশ কুমার দাস বলেন, ওই খামারির মুরগি মারা যাওয়ার খবর শুনেছি। আমাদের পক্ষ থেকে খামার পরিদর্শনও করা হয়েছে। আলামত সংগ্রহ করে পরীক্ষা নিরিক্ষার পর জানা যাবে কি রোগে মুরগী মারা গেছে।তবে খামারিকে ক্ষতিপূরন বা আর্থিক সহযোগিতার বিষয়ে এই মুহুর্তে কিছু বলা যায় না।।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট