সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করলেন মার্টিনেজ ইরানের ভয়াবহ হামলায় ৮ মার্কিন সামরিক স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস আকস্মিক মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী বন্ধের উদ্দেশ্যে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়নিস্বাস্থ্যমন্ত্রী- খুলনায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবাসহ মাদককারবারি আটক সুন্দরবনে মাছ ধরার প্রস্তুতি; পাইকগাছার জেলে পল্লীতে বোট নির্মাণের ধুম মোংলা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক কর্মসূচি পালন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে পাইকগাছায় টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শনে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে হারিয়ে যাচ্ছে বাঁশ ও বেতের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প, দখলে প্লাস্টিকের সামগ্রী

পাইকগাছায় লিচুর গাছে মুকুলের সমারোহ, বাম্পার ফলনের আশা

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

এম জালাল উদ্দীন, পাইকগাছা (খুলনা):: বসন্তের আগমনে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় লিচু গাছে এখন মুকুলের সমারোহ দেখা যাচ্ছে। বাগানজুড়ে থোকায় থোকায় ফুটে ওঠা লিচুর সোনালি মুকুল আর তার মিষ্টি সুবাসে মুখরিত হয়ে উঠেছে চারপাশ। মুকুলের ঘ্রাণে আকৃষ্ট হয়ে বাগানজুড়ে ভনভন করছে মৌমাছি, যা প্রকৃতিকে দিয়েছে এক অন্যরকম প্রাণচাঞ্চল্য।

উপজেলার বিভিন্ন সড়কপথ ও বাগানে চোখে পড়ছে লিচু গাছের ডালে ডালে মুকুলের বাহার। বসন্তের মৃদু হাওয়ায় দুলছে সেই মুকুল। গাছে গাছে এত মুকুল দেখে বাগান মালিক ও চাষিদের মাঝে দেখা দিয়েছে স্বস্তি ও আনন্দ। অনেকেই মনে করছেন, অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে চলতি মৌসুমে লিচুর বাম্পার ফলন হতে পারে।

বাগান মালিকরা জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লিচু গাছে ভালো মুকুল এসেছে। এখন পর্যন্ত প্রাকৃতিক কোনো প্রতিকূলতা মুকুলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি। তাই আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছেন তারা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, পাইকগাছা উপজেলায় প্রায় ২৩ একর জমিতে রসালো ও সুস্বাদু লিচুর চাষ হয়। এ অঞ্চলে বড় আকারের লিচু বাগানের সংখ্যা তুলনামূলক কম হলেও পারিবারিক ও ছোট আকারের বাগানেই মূলত লিচুর চাষ বেশি দেখা যায়। এখানে প্রধানত মোজাফ্ফর বা দেশি এবং বোম্বাই বা চায়না-৩ জাতের লিচু বেশি চাষ করা হয়। এছাড়াও স্বল্প পরিসরে কদমি, কাঁঠালি, বেদেনা, চায়না-১ ও চায়না-২ জাতের লিচুর চাষ রয়েছে।

লিচু চাষিরা জানান, সাধারণত মাঘের শেষ সপ্তাহ থেকে ফাল্গুনের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে লিচু গাছে মুকুল আসে। বর্তমানে প্রায় প্রতিটি গাছই মুকুলে ভরে গেছে। মুকুল ঝরে পড়া রোধে চাষিরা গাছে নিয়মিত পানি দেওয়া, প্রয়োজনীয় কীটনাশক স্প্রে করা এবং বাগানের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. একরামূল হোসেন বলেন, এবার পাইকগাছা উপজেলায় লিচুর মুকুল ভালো হয়েছে। অধিকাংশ গাছে পর্যাপ্ত মুকুল এসেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। মুকুল ঝরা রোধে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews