শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
অস্ট্রেলিয়া সফরে স্বপ্নের মতো প্রথম দিন কাটালো বাংলাদেশ কে হচ্ছেন বিএনপির পরবর্তী মহাসচিব, আলোচনায় যাদের নাম দীর্ঘ ২৩ বছর পর ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের বৈঠক রবিউল আউয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট পাইকগাছায় জমিজমা বিরোধের কুপিয়ে জখমের অভিযোগ দিঘলিয়ায় দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল প্রতিদিনের প্রতিনিধি সৌমিত্র দত্তের পুত্র গোল্ডেন A+ পেয়েছে খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজকে সকল প্রকার অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে দূরে রাখতে হবে – আমীর এজাজ খান এমপি বাগেরহাটে জমি জবরদখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অসিত সাহার শোকাহত পরিবারের পাশে জেলা ছাত্র দলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আবু জাফর

বটিয়াঘাটার রায়পুর বারোআড়িয়া ও ফুলবাড়ী বারোআড়িয়া দুটি খেয়াঘাট এখন মরণফাঁদ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

গাজী তরিকুল ইসলাম, বটিয়াঘাটা থেকে:: বটিয়াঘাটা উপজেলার রায়পুর বারোআড়িয়া ও ফুলবাড়ী বারোআড়িয়া জনগুরুত্বপূর্ণ দুটি খেয়া ঘাট সাধারণ মানুষের পারাপার’র জন্য মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে । উক্ত খেলা ঘাট দিয়ে খুলনা জেলা শহরের সাথে কম সময়ে স্বল্প খরচে যাতায়াতের সুবিধার্থে উপজেলার সুরখালী ইউনিয়ন, পাশ্ববর্তী ডুমুরিয়া, পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার সাধারণ মানুষ যাতায়াত করে আসছে ।বর্তমানে নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় উক্ত খেয়া ঘাট দুটি দিয়ে হাঁটু পর্যন্ত কাপড় উচু করে মায়েদের পাশাপাশি চাকুরীজীবী, স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকমন্ডলী, হাটুরে এবং সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে । উল্লেখ্য বিগত বছরে উক্ত খেয়াঘাট দুটির ইজরা গ্ৰহীতা ছিলেন গাওঘরা এলাকার মোকছেমুল , কল্যাণ শ্রী এলাকার মাসুদ ও বারোআড়িয়া এলাকার মোঃ খোকন । বিগত বছরের ইজারা গ্ৰহীতারা যাত্রীদের পারাপারের সুবিধার্থে পাকা ঘাট থেকে নদীর দুই তীরে পানি পর্যন্ত বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে যাত্রীদের পারাপার করেছেন আসছিল । বর্তমানে ঘাটের পাটনি হিসেবে ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকায় ইজারা গ্ৰহন করেছেন বারোআড়িয়া এলাকার রতন কুমার দাশ এবং তিনি যাত্রীদের কাছ থেকে পারাপারে ৫ টাকা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে । অথচ পাশ্ববর্তী কৈয়া বাজার ও গাওঘরা ঘাটের সাঁকো ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মান করলেও তাদের ইজারার মেয়াদ কাল শেষ হলেও তাদের নির্মিত বাঁশের সাঁকো খুলে নিয়ে যায়নি । এব্যাপারে ঘাটের ইজারা গ্ৰহীতা ঘাটে সাঁকো নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট মৌখিকভাবে আবেদন করেন নির্বাহী অফিসার থান্দার কামরুজ্জামান সরকারি বরাদ্দ না থাকায় ইজারাদারদের নির্মাণ করতে বলেন বলে জানিয়েছেন ।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews