সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করলেন মার্টিনেজ ইরানের ভয়াবহ হামলায় ৮ মার্কিন সামরিক স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস আকস্মিক মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী বন্ধের উদ্দেশ্যে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়নিস্বাস্থ্যমন্ত্রী- খুলনায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবাসহ মাদককারবারি আটক সুন্দরবনে মাছ ধরার প্রস্তুতি; পাইকগাছার জেলে পল্লীতে বোট নির্মাণের ধুম মোংলা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক কর্মসূচি পালন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে পাইকগাছায় টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শনে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে হারিয়ে যাচ্ছে বাঁশ ও বেতের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প, দখলে প্লাস্টিকের সামগ্রী

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, দরকার মাত্র ৩ উইকেট

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক:: বাংলাদেশের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সালমান আলি আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের জুটি। অবশেষে ১৩৪ রানের সেই প্রতিরোধ ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। ৭১ রান করা সালমানকে বোল্ড করেন এই বাঁহাতি স্পিনার। সালমানের বিদায়ের পর উইকেটে এসে মাত্র ৬ বল টিকতে পেরেছেন হাসান আলি। তাইজুলের পরের ওভারেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তিনি। শেষ বিকেলে মাত্র ৮ বলের ব্যবধানে এই দুই উইকেট তুলে নিয়ে স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়েছে টাইগাররা।

মঙ্গলবার চতুর্থ দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৬ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। ম্যাচ ও সিরিজ জিততে শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রয়োজন আর মাত্র ৩ উইকেট। তবে পাকিস্তান এখনো বাংলাদেশের চেয়ে ১২১ রানে পিছিয়ে রয়েছে। এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৭৮ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে পাকিস্তান তাদের প্রথম ইনিংসে করেছিল ২৩২ রান।

গতকাল শেষ বিকেলে পাকিস্তান তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামলেও ২ ওভার শেষে কোনো রান তুলতে পারেনি। আজ পাকিস্তানের দুই ওপেনার মিলে খেলেন আরও ৮ ওভার। সব মিলিয়ে ইনিংসের ১১তম ওভারে পাকিস্তান শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন নাহিদ রানা। রানার অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বলে ব্যাট চালাতে গিয়ে গতির কাছে পরাস্ত হন আব্দুল্লাহ ফজল। বল ঠিকঠাক ব্যাটে না লাগায় গালিতে দাঁড়িয়ে থাকা মেহেদি হাসান মিরাজের হাতে ধরা পড়েন তিনি। মিরপুরে অভিষেক টেস্টের দুই ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি করা এই বাঁহাতি ওপেনার এবার ফেরেন মাত্র ৬ রানে।

দলীয় ১৪ রানের ব্যবধানে আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মিরাজ। পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করার চেষ্টা করলেও বল ভেতরে ঢুকে পড়ায় লাইন মিস করেন আজান। মিরাজের জোরালো আবেদনে আম্পায়ার আউট দিলে রিভিউ নেয় পাকিস্তান। তবে ‘আম্পায়ার্স কলে’ ২১ রান করা আজানকে বিদায় নিতে হয়। ৪১ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর দারুণ এক জুটিতে দলকে এগিয়ে নেন বাবর আজম ও শান মাসুদ। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের জুটিটি যখন বিপজ্জনক হয়ে উঠছিল, তখনই বাধা হয়ে দাঁড়ান তাইজুল। ৪৭ রান করা বাবরকে সাজঘরে পাঠান তিনি।

সিরিজ জুড়ে ব্যর্থ সউদ শাকিল এবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি। ২১ বল খেলে মাত্র ৬ রান করা এই মিডল অর্ডার ব্যাটারকে ফেরান নাহিদ রানা। এরপর শান মাসুদও আর বেশি সময় ক্রিজে টিকতে পারেননি। সেঞ্চুরির পথে এগোতে থাকা এই ব্যাটারকে মাহমুদুল হাসান জয়ের ক্যাচ বানান তাইজুল ইসলাম। মাসুদ ৭১ রান করে ফিরলে ১৬২ রানে ৫ম উইকেট হারায় পাকিস্তান।

তখন মনে হচ্ছিল আজই হয়তো ম্যাচের ফয়সালা হয়ে যাবে। তবে ষষ্ঠ উইকেটে রিজওয়ান-সালমান জুটি গড়েন ১৩৪ রানের প্রতিরোধ। এদিন বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাইজুল ইসলাম। চতুর্থ দিনের পিচের বাড়তি সুবিধা কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৩ রান খরচায় তিনি শিকার করেন ৪টি উইকেট। এ ছাড়া নাহিদ রানা ২টি এবং মেহেদি হাসান মিরাজ ১টি উইকেট লাভ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews