মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
রিধিকার ‘আত্মহত্যা’র শেষ মুহূর্তে কী ঘটেছিল, জানালেন মা গিলক্রিস্টের প্রশংসা মিরাজকে ‘তোমরা এভাবে খেলতে পারো, ভাবিনি’ ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়ার স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন বিলুপ্ত হচ্ছে র‍্যাব, গঠন হচ্ছে এসআরবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানালেন যুবরাজ মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে একটি জাতীয় অর্থনৈতিক হাব গড়ে তোলা হবে-সেতুমন্ত্রী দাকোপে দলিতের আয়োজনে কমিউনিটির সাথে স্থানীয় সরকারের সংলাপ অনুষ্ঠিত জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষ্যে অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিঘলিয়ায় নবাগত অফিসার ইনচার্জের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন উপজেলার সাংবাদিকবৃন্দ শার্শার বেনাপোল সহ সব বাজারে ৩০০ টাকার কাচাঁ মরিচ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, ১০ দিনে ২৩৩ টন আমদানি

তারাকান্দায় রেনু হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

হুমায়ুন কবির,ময়মনসিংহ::ময়মনসিংহের তারাকান্দায় গৃহবধূ রেনু রানী সেন হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন আসামি মাজহারুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পর তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সজীব কুমার দাস।

থানায় দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফুলপুর উপজেলার পয়ারী ২য় খণ্ড গ্রামের বাসিন্দা রেনু রানী সেন (৫২) গত ২২ জুন বিকেলে নাতি রুদ্রকে স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে পৌঁছে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
পরদিন সকালে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে তারাকান্দা উপজেলার তিয়রকান্দি বাজার সংলগ্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হয়। পরে কালভার্টের পাশের একটি ডোবার পানিতে কচুরিপানার নিচ থেকে রেনু রানী সেনের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ। মরদেহে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ননী চন্দ্র সেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে তারাকান্দা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্তকালে পুলিশ তিয়রকান্দি গ্রামের ইব্রাহিম ওরফে কালামের ছেলে মাজহারুল ইসলাম (২২) সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করে।পরে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত ১টা ৩০ মিনিটে কাকনী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তারাকান্দা থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাশিদ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews