মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পাইকগাছায় ১ যুগ বন্ধ মাদ্রাসা: দানকৃত জমি ফেরতের দাবিতে ইউএনও’র কাছে অভিযোগ এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালীন কেএমপির গণবিজ্ঞপ্তি খুলনা নগরীতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ পতেঙ্গায় কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধ বিদেশি মদ, বিয়ার ও সিগারেট জব্দ সমুদ্রে ভাসতে থাকা ১০ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড চালনা পৌরসভার ২৯ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ আর্জেন্টিনার ম্যাচের আগে ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্ত কেপ ভার্দে অধিনায়ক তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষ হত্যার পরিকল্পনাকারীকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবেই-প্রধানমন্ত্রী

পাইকগাছায় ১ যুগ বন্ধ মাদ্রাসা: দানকৃত জমি ফেরতের দাবিতে ইউএনও’র কাছে অভিযোগ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:: খুলনার পাইকগাছায় দীর্ঘ প্রায় ১ যুগ ধরে মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ও জমি ফেরতের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন জমিদাতারা। গত ইং- সোমবার (২৯ জুন) উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নের দক্ষিণ সনাতনকাটী গ্রামের আল-হেরা দাখিল মাদ্রাসা নিয়ে এ অভিযোগ করেন তারা।

অভিযোগে বলা হয়, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাটির জন্য রেখা বেগম ও আনোয়ারা বেগম সহ তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে এ মাদ্রাসায় ৩২ শতক জমি দান করা হয়। দানপত্রে শর্ত ছিল, শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে জমি দাতাদের বা তাঁদের উত্তরাধিকারীদের কাছে জমি ফেরত দেওয়া হবে।

এদিকে ২০১৫ সালের পর থেকে মাদ্রাসাটিতে শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে সেখানে কোনো শিক্ষার্থী নেই এবং শিক্ষকও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না বলে অভিযোগে জানানো হয়।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও প্রকৃত শিক্ষার্থী ছাড়াই সরকারি সুবিধা গ্রহণ, সরকারি বই ও উপবৃত্তির অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ রয়েছে মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে। এছাড়াও দীর্ঘদিন টিনের ছাউনির কক্ষগুলো বর্তমানে পরিত্যক্ত ও ঝোপঝাড়ে পরিনত হয়েছে। যেকারণে এটি মাদকসেবী সহ অসামাজিক কর্মকাণ্ডের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে দাবি করেন জমিদাতারা।

এ অবস্থায় দানপত্রের শর্ত অনুযায়ী দানকৃত জমি ফেরত এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আবেদনকারীরা।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আজগর আলী বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। মাদ্রাসায় প্রতিবছর দাখিল পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার আগে কিছুদিন পাঠদান করানো করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews