শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বাগেরহাটে নিরাপত্তা ও বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন আমরা মাদককে না বলব, সন্ত্রাসকে না বলব এবং খেলাধুলাকে হ্যাঁ বলব-আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী এসবি প্রধানের বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন কাস্টমস পরিদর্শন বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, সাত সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ ইতালিতে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট বিকল: ৭ ঘণ্টা ধরে বিমানে আটকা ২৬০ যাত্রী ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন,ডাকছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন একদিনের সফরে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় বইপড়া কর্মসূচির পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ‘গণমাধ্যম এখনো স্বাধীন নয়’ বাগেরহাটে ডা. শফিকুর রহমান চিতলমারীতে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক অনুষ্ঠান

ইরানের হামলায় সৌদি আরবে ৫ মার্কিন ট্যাঙ্কার বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ২০৪ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান সামরিক সংঘাত এখন এক ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী রূপ ধারণ করেছে। সম্প্রতি সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ইরানের চালানো এক শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ রিফুয়েলিং (জ্বালানি সরবরাহকারী) বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়েছে, বিমানগুলো পুরোপুরি ধ্বংস না হলেও সেগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং বর্তমানে জরুরি মেরামতের কাজ চলছে। যদিও এই নির্দিষ্ট হামলায় কোনো মার্কিন সেনার প্রাণহানি ঘটেনি, তবে একে এই অঞ্চলের সংঘাতের একটি বড় ধরনের বিস্তার হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

অন্যদিকে, গত বৃহস্পতিবার পশ্চিম ইরাকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স’ বিমানটি ভূপাতিত করার দাবি করলেও মার্কিন সামরিক বাহিনী তা নাকচ করে দিয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে, এই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ছয়জন ক্রু সদস্যই প্রাণ হারিয়েছেন।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অন্য একটি বিমানের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে এবং এটি শত্রু পক্ষ বা বন্ধুত্বপূর্ণ কোনো পক্ষের সরাসরি হামলার ফল ছিল না। ১২ মার্চ ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামক বিশেষ অভিযান চলাকালীন এই নিখোঁজ ও বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য, ১৯৫০-এর দশকে তৈরি এই কেসি-১৩৫ বিমানগুলো মার্কিন বিমান বাহিনীর আকাশে জ্বালানি সরবরাহের প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

পেন্টাগনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এই প্রাণহানিকে অত্যন্ত ‘মর্মান্তিক’ বলে বর্ণনা করেছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে এ পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন এবং বিভিন্ন হামলায় প্রায় ১৫০ জন আহত হয়েছেন।

এর আগে কুয়েত ও সৌদি আরবে ড্রোন হামলায় আরও সাতজন সেনার মৃত্যু হয়েছিল এবং ১ মার্চ কুয়েতের আকাশে নিজেদের ভুল বোঝাবুঝিতে বা ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ারে’ তিনটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তেহরান যদি তাদের পাল্টা আঘাত অব্যাহত রাখে তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

ইরানের খারিগ দ্বীপে মার্কিন হামলার পর তেহরানও তাদের সমস্ত জ্বালানি ও তেল অবকাঠামো রক্ষায় সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছে, যা সমগ্র বিশ্বকে এক গভীর অনিশ্চয়তা ও জ্বালানি সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews