বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
নকআউট থেকে ফাইনালের সমীকরণ, সবকিছুই যেন আর্জেন্টিনার পক্ষে! ইরানের তহবিল মুক্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র, হরমুজ প্রণালী সচল করার আভাস প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এবার সুইজারল্যান্ড সফরের আমন্ত্রণ আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রী আ’লীগের অপতৎপরতা ঠেকাতে চিতলমারী বিএনপি’র ৪টি সংগঠনের মিছিল পাইকগাছায় ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের’ বিরুদ্ধে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে অংশীজনদের সঙ্গে ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ডায়লগ পরিবেশ রক্ষায় ‘সবুজ মোংলা সমৃদ্ধ উপকূল’ সংগঠনের কমিটি গঠন চট্টগ্রামে ভেজাল লুব অয়েল ও কাঁচামাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড পাইকগাছায় মহিলাদের মৎস্য চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ইরানের সঙ্গে আলোচনা প্রস্তাবের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১২২ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ইরানের সঙ্গে সংঘাতের আগুন নেভাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন আলোচনার কথা বলছেন, ঠিক তখনই মধ্যপ্রাচ্যের সমরশক্তি বাড়াচ্ছে পেন্টাগন। ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানের সঙ্গে সমঝোতার সুবাতাস দিলেও বাস্তুবে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র।

সংবাদমাধ্যম এপির তথ্য অনুযায়ী, যে কোনো পরিস্থিতির তাৎক্ষণিক মোকাবিলায় মার্কিন সেনাবাহিনীর দুর্ধর্ষ ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় এক হাজার সৈন্যকে রণক্ষেত্রে পাঠানোর চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

এই সেনাদলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিভিশন কমান্ডার মেজর জেনারেল ব্র্যান্ডন টেগটমেয়ার নিজেই। সঙ্গে থাকছে তুখোড় ‘ইমিডিয়েট রেসপন্স ফোর্স’, যারা মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে ঝাঁপিয়ে পড়তে সক্ষম।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই কমান্ডিং স্টাফ ও প্রথম ব্যাটালিয়ন মধ্যপ্রাচ্যের পথে উড়াল দেবে। ২০২০ সালে ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানি হত্যার উত্তাল দিনগুলোতেও এই একই ডিভিশন মোতায়েন করে ওয়াশিংটন নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার দাবি করেছেন, শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একমত হয়েছে। ইরানও তাদের কঠোর অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসে ‘টেকসই’ প্রস্তাব শোনার আগ্রহ দেখিয়েছে।

তবে এই আলোচনার পর্দার আড়ালে চলছে বিশাল সামরিক মুভমেন্ট। কেবল প্যারাট্রুপার নয়, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে গতিপথ বদলে ১১তম ও ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের মতো শক্তিশালী নৌ-বহরগুলোকে সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যের উপকূলে নিয়ে আসা হচ্ছে।

প্রতিটি অ্যামফিবিয়াস রেডি গ্রুপে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার করে অত্যন্ত প্রশিক্ষিত নৌসেনা ও মেরিন থাকছে। সঙ্গে রয়েছে যুদ্ধবিমান ও বিশাল লজিস্টিক সাপোর্ট। অর্থাৎ একদিকে কূটনৈতিক দরকষাকষি, অন্যদিকে কয়েক হাজার বাড়তি সৈন্য আর ভারী অস্ত্রশস্ত্রের এই সমাবেশ প্রমাণ করছে ওয়াশিংটন শান্তির বার্তা দিলেও আঙুল কিন্তু ট্রিগারেই রাখছে।

সূত্র: এপি

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews