মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
খুলনায় ছেলেকে না পেয়ে ঘরে ঢুকে মাকে গুলি ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনই এখন সরকারের প্রধান কাজ-প্রধানমন্ত্রী কোস্টগার্ডের অভিযানে আড়াই লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারি আটক টেকসই উন্নয়নের স্বপ্ন পূরনে দাকোপে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়ালী এসডিজি ভিলেজ উদ্বোধন শার্শার লক্ষনপুরে বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও স্কুল কলেজে ফলজ বৃক্ষের চারা প্রদান চার দিন পর গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ১৯ মরদেহ হরমুজ প্রণালি খুলতে জটিল শর্ত ইরানের মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রকল্প ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপি নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ, ইউএনও ও সমাজসেবা কর্মকর্তার অপসারণ দাবি

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জমি উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান শুরু

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন, মোংলা:: পুরাতন মোংলা শহরের মেরিন ড্রাইভ সড়ক দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা উচ্ছেদ করতে অভিযান শুরু করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ১১ নভেম্বর সোমবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। এ অভিযানে সহায়তা করেন নৌবাহিনীর কন্টিনজেন্ট।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই মেরিন ড্রাইভ সড়কের দু-পাশ দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে দখলদাররা। একাধিকবার সতর্ক এবং নোটিশ করা হলেও তারা বন্দরের জায়গা থেকে স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি। অবৈধভাবে দখলে থাকা দুই একর জমি উদ্ধারে অভিযান শুরু করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ধাপে ধাপে বন্দরের সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

সোমবার অভিযানের প্রথম দিনে ঠাকুরানী খাল এলাকা থেকে শুরু করে ১ নম্বর জেটি এলাকা পর্যন্ত মোট ৭০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সুনজিদ কুমার চন্দ জানান,বন্দর কর্তৃপক্ষের ১০ একর জমিতে ১১৭০টি অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকী সকল জমির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বন্দরের বেদখল জমি উদ্ধার করা হবে। এর আগে ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে পুরাতন মোংলা বন্দর এলাকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল। কিন্তু তারপর থেকে আবারো প্রভাবশালীরা বন্দরের জমি জবর দখল করে অসংখ্য স্থাপনা গড়ে তোলেন।

উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে উপস্থিত ছিলেন বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ক্যাপ্টেন কিবরিয়া হক, পরিচালক (প্রশাসন) মো. নুরুজ্জামান, উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাকরুজ্জামান, উর্ধ্বতন হিসাবরক্ষন কর্মকর্তা নিয়ামুর রহমান, সম্পত্তি শাখার কর্মকর্তা ফজিলা খাতুন, মোস্তফা জামানসহ বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews