বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ওর আঙুলগুলো প্রজাপতির ডানার মতো ছুঁয়ে যাচ্ছিল-প্রিয়াঙ্কা চোপড়া চা-শ্রমিকদের সুরক্ষায় ২০ হাজার রেইনকোট দিচ্ছে সরকার রাজস্ব নিয়ে জনগনের বিভ্রান্তি কাটানোই বড় চ্যালেঞ্জ-প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীর স্ত্রীর উপর হামলার অভিযোগ, উভয়পক্ষের চার নারী আহত নগরীর ২৪নং ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী অনুষ্ঠিত ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত দাকোপে জেলা যুব নারী সামাজিক এ্যাসোসিয়েশনের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পূর্ণ জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী অনুষ্ঠিত দাকোপে দূর্নীতি বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

পাইকগাছায় ১৯ মাস পর পরিবারে ফিরলেন মানসিক ভারসাম্যহীন পারুল আক্তার

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৭৩ বার পড়া হয়েছে

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:: অবশেষে দীর্ঘ ১৯ মাস পর পরিবারের কোলে ফিরে গেলেন মানসিক ভারসাম্যহীন পারুল আক্তার। সোমবার (৪ জুলাই) বিকাল ৪টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পারুলের পিতার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে তুলে দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তার বাড়ি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায়।

পারুল আক্তার দীর্ঘদিন ধরে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ইং- ২৯ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে পাইকগাছা পৌর সদরের মেইন রাস্তার পাশে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় এক ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন পারুল আক্তার। পরে স্থানীয় চিকিৎসক ডা. আব্দুল হালিম তাৎক্ষণিকভাবে তাকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ঘটনাটি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাস এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে মা ও নবজাতকের সার্বিক খোঁজখবর নেন। এবং ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।

পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে পারুলের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয় এবং ধাপে ধাপে তার পরিচয় নিশ্চিত করা যায়।

পারুলের পরবর্তী গন্তব্য পাবনা মানসিক হাসপাতাল। উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আর্থিক সহায়তা ও তত্ত্বাবধানে তাকে সেখানে ভর্তি করে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ সঞ্জয় কুমার বলেন, পারুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হসপিটালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া তার কন্যা সন্তানটি বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং সে ভালো আছে।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীন এর এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews