রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়াঙ্গনের সকল বন্ধ্যাত্ব ঘুচিয়ে অতীতের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে প্রচেষ্টা শুরু করেছেন-খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ১২৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি:: খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বলেছেন, খুলনার ক্রীড়াঙ্গন থমকে আছে। বর্তমানে খুলনায় কোন খেলাধুলা নাই। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়াঙ্গনের সকল বন্ধ্যাত্ব ঘুচিয়ে অতীতের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে প্রচেষ্টা শুরু করেছেন। এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের সন্তানরা যেন ক্রীড়াচর্চার মধ্যে থেকে সুশৃঙ্খল জীবন গড়তে পারে সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
কেসিসি প্রশাসক সোমবার সকালে নগরীর মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে আয়োজিত খুলনা ও বরিশাল বিভাগের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেফারি, কোচ ও এ্যাথলেটদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রশাসক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেফারি, কোচ ও এ্যাথলেটদের হাতে সার্টিফিকেট ও পুরস্কার তুলে দেন। তিনি অংশগ্রহণকারীদের সফলতা কামনা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
কেসিসি প্রশাসক ক্রীড়াঙ্গনের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গই ক্রীড়াঙ্গন পরিচালনায় এগিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নতুন এ যাত্রায় তরুণদের নতুন কিছু করার আগ্রহকে কাজে লাগাতে হবে। তবেই এ অঙ্গনকে গতিশীল করা সম্ভব হবে। ক্রীড়া সেক্টরে বিদ্যমান সমস্যাগুলি দূর করতে প্রয়োজনে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে যা যা করা দরকার তা সম্মিলিতভাবে করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি আলিমুজ্জামান খান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান। সঞ্চালনা করেন খুলনা বিভাগের কারাতে সংশ্লিষ্ট সংগঠক ‘সোতো কান’-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী। কেসিসি’র প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদসহ ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
পরে কেসিসি প্রশাসক সোনাডাঙ্গা মেইন রোডে অবস্থিত ‘রিহ্যাবিলাইটেশন ফর এক্সট্রাঅডিনারী চিলড্রেন এন্ড নিউরোডাইভার্স আন্ডারস্ট্যান্ডিং (রেনু)’ সেন্টার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি অটিজম শিশুদের নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের সেরা মানবতাবাদী হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সম্ভব সব ধরণের সহযোগিতা প্রদানের আশ^াস দেন। একই সাথে বিভিন্ন দাতা ও সহযোগী সংস্থাকে এর সাথে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানান। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান দিবেন্দু দ্বীপ, সমাজসেবক আসাদুজ্জামান মুরাদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে কেসিসি প্রশাসক ট্রাক টার্মিণালের দক্ষিণ পাশের খাল এবং গল্লামারী কসাইখানা সরেজমিন পরিদর্শন করেন। প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মো: আনিসুর রহমান, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম, ভেটেরিনারী সার্জন ড. পেরু গোপাল বিশ^াস, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দীন, সাবেক কাউন্সিলর মো: হাফিজুর রহমান মনিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক বাংলার খবর
Theme Customized By BreakingNews